Travel Tips: কলেজে গরমের ছুটি পড়বে (Travel)। সেই সময় মানুষ নানান জায়গা ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। তবে আপনি যদি ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করার পরও ছুটির ব্যবস্থা না করে থাকতে পারেন, তাহলে মন খারাপ করতে হবে না।
Travel Tips: উইকেন্ডে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির কাছে পাহাড় ও জঙ্গল ঘেরা নির্জন গ্রাম ঢাঙিকুসুম (Dhangikusum) বা তার আশেপাশে, যেমন অমলাশোল-এ ঘুরে আসতে পারেন। এটি পাইন বন, ছোট পাহাড় এবং ঝর্ণার এক অচেনা জগৎ, যা শহরের কোলাহল থেকে দূরে নিভৃতবাসের জন্য দারুণ। এখানে আদিবাসী সংস্কৃতির সান্নিধ্য, ট্রেকিং এবং সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়। ঢাঙিকুসুম/অমলাশোল ভ্রমণের
বিস্তারিত বিবরণ:
* অবস্থান: ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়ি ব্লকে অবস্থিত, ঘাটশিলা থেকে প্রায় ২৩ কিমি ও কাঁকড়াঝোর থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে । * কেন যাবেন: পাইন গাছে ঘেরা পাহাড়, নির্জন পরিবেশ, কাঁকড়াঝোরের জঙ্গল, এবং পাহাড়ি ঝর্ণার রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য।
* আকর্ষণ:
• চিটিপাহাড় ট্রেকিং: পাহাড়ের সবুজ পথ ধরে ট্রেকিং করে চূড়ায় ওঠা, যেখান থেকে পুরো বেলপাহাড়ি জঙ্গলের দৃশ্য দেখা যায়। • সূর্যাস্ত: চিটিপাহাড়ের চূড়া থেকে অসাধারণ সূর্যাস্ত দেখা। • প্রকৃতি: পাইন বন, শাল-মহুয়ার জঙ্গল এবং পাহাড়ের কোল ঘেঁষা ছোট নদী/ঝর্ণা। • স্থানীয় সংস্কৃতি: আদিবাসী গ্রামগুলির শান্ত জীবনযাপন ও লোকশিল্প।
* কোথায় থাকবেন: অমলাশোল বা ঢাঙিকুসুম এলাকায় উন্নতমানের হোমস্টে বা কাঁকড়াঝোড় বন বাংলো। * যাওয়ার সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ মাস (শীতকাল) ঘোরার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।
* কীভাবে যাবেন:
• ট্রেনে: হাওড়া থেকে ঘাটশিলা স্টেশন। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে সরাসরি ঢাঙিকুসুম বা অমলাশোল। • সড়কপথে: কলকাতা থেকে বেলপাহাড়ি (প্রায় ২৫০-২৬০ কিমি) হয়ে কাঁকড়াঝোর।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি খুব নির্জন এলাকা, তাই দলবেঁধে যাওয়া ভালো। স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


