শীতকাল এলেই যেমন শাক-সব্জির অভাব নেই, তেমনি বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু ফলেরও আমদানি হয় শীতকালে। যে কোনও বয়সের মানুষের কাছে ফলের মতোন সহজপাচ্য আর উপকারী জিনিস দুটো হয় না। ফলের গুনাগুণ প্রায় সকলেই জানেন। ফল খাওয়া হয়ে গেলে ফলের খোসা আমরা ছাড়িয়ে ফেলে দিই, কিন্তু জানেন কি এই ফলের খোসার ভিতরেই রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। ফলের খোসার এই গুনাগুণ জানলে আগে হয়তো ফেলে দিতেন না। রোজকারের এই ফলের  খোসার কয়েকটি গুনাগুণ রইল।

আরও পড়ুন-কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, নতুন বছরে মেনে চলুন এই ৫ রেজোলিউশন...

কলার খোসা

কলা যেমন উপকারী, তেমনই কলার খোসাও ভীষণ উপকারী। দুবেলা দাঁত মাজার পরও দাঁত থেকে হালকা হলুদ দাগ যাচ্ছে না। মুশকিল আসান হবে এক মিনিটে। নিয়ম করে কলার খোসা দিয়ে দাঁতগুলোর উপর ঘষে নিন। দেখবেন হলুদ ছোপ উঠে যাবে। কলার খোসা খুব ভাল ক্রাবারের কাজ করে।

শশার খোসা

শশার খোসায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন কে থাকে। ভিটামিন কে হাড়ও ত্বকের খেয়াল রাখে। এছাড়া শশার খোসায় থাকা বিটা ক্যারোটিন চোখের জন্য ভীষণ উপকারী।

কিউইর খোসা

কিউই যেমন উপকারী ঠিক ততটাই উপকারী এর খোসা। কিউই ফলের থেকে বেশি নিউট্রিয়েনস থাকে ফলের খোসায়। এর মধ্যে থাকা ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট,ভিটামিন সি থাকে। এগুলি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ হওয়ার পাশাপাশি হৃদপিন্ড ও ফুসফুসের খেয়াল রাখে।

আরও পড়ুন-১৪০ বছর আগে ক্রিসমাসে বানানো ফ্রুট কেক, উত্তরাধিকার সূত্রে সংরক্ষণ করে এই পরিবার...

আপেলের খোসা

আপেল খোসা সমেতই প্রত্যেকেই খান। আপেলের খোসায় প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলের মতো, নিউট্রিয়েনস থাকে। আপেলের খোসায় থাকা ভিটামিন এ, সি ত্বক-চোখের যত্ন আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া এর মধ্যে উপস্থিত আয়রন ও ক্যালশিয়াম হাড় ও দাঁত মজবুত করে।

আনারসের খোসা

আনারসের খোসাতেও প্রচুর পরিমানে ভিটামিন আর মিনারেলস থাকে। ঠান্ডা লাগলে উপশম হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন আনারসের খোসা। ত্বক পরিস্কার করতে ক্রাবারেরও কাজ করে আনারসের খোসা।

আঙুরের খোসা

আঙুরের খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে  সাহায্য করে। এছাড়া খাবার হজম করতে এর জুড়ি মেলা ভার।