ইচ্ছে বা অনুভুতি হল একটি মানসিক অভিজ্ঞতার পূর্ববর্তী পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে অর্জন করা হয়েছে। যে প্রক্রিয়াতে নতুন আচরণ স্বয়ংক্রিয় হয়ে যায় তাই অভ্যাস গঠন। পুরনো অভ্যাস ত্যাগ করা বেশ কঠিন এবং নতুন অভ্যাস গঠন করা আরও কঠিন। কারন আমরা যেই আচরণগত বিন্যাসের পুনরাবৃত্তি করি তা আমাদের মস্তিস্কের স্নায়বিক পর্যায়ে ছাপ হিসেবে থেকে যায়। তবে পুনরাবৃত্তির দ্বারা নতুন অভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব। সেই ভাবেই অনেকেই এমন আছেন যারা খেতে বসলেই জল পান করেন। এমনটাও বলা যেতে পারে জলের জায়গা সঙ্গে নিয়েই খেতে বসেন। এমনই কিছু অভ্যাস আছে যা আমরা অজান্তেই প্রতিদিন করে থাকি। অবশ্যই জেনে নিন কোন ধরনের খাবার একসঙ্গে খেতে নেই। 

আরও পড়ুন- সপ্তাহের শেষে দুদিনের ট্রিপ, জেনে রাখুন বিচিত্রপুরের বিচিত্র কথা

ফল- আমাদের অনেকেরই ধারনা খাওয়ার পরে ফল খাওয়া দরকার। চিকিৎসকদের মতে ফল খাওয়া উচিত খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে বা খাওয়ার তিন ঘণ্টা পরে। খাওয়ার আগে ফল খেলে তা পাচনতন্ত্রকে খাবার গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। পাচনতন্ত্রে নানা রকম পাচন রস ক্ষরিত হয় এবং ফলের ফাইবার পাচননালীকে পরিষ্কার করে। আবার একই ভাবে দুধ বা দুগ্ধজাত পদার্থের সঙ্গে টক জাতীয় ফল কখনও খাওয়া উচিত নয়। এই ধরনের খাবার একসঙ্গে খেলে শরীরের ভিতরে টক্সিন তৈরি হয়। ফলে ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি, পেট খারাপ, অ্যালার্জির মতো সমস্যা হতে পারে।

আরও পড়ুন- সাধ্যের মধ্যে ৫৫ ইঞ্চি অ্যানড্রয়েড টিভি আনল শাওমি, দেখে নিন দাম ও ফিচার

প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে শ্বেতনার জাতীয় খাদ্য কখনোই একসঙ্গে খাওয়া উচিৎ নয়। এতে প্রোটিন কার্বোহাইড্রেটে ভেঙ্গে যায়। ফলে গ্যাস, বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা প্রায় সকলেই মাংসের ঝোলের আলু পছন্দ করি। তবে এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। একইভাবে চিকেনের সঙ্গে পাস্তা, টার্কি স্যান্ডুইচ একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। দুই ধরনের প্রোটিন একসঙ্গে নয়- প্রোটিনজাতীয় খাদ্য হজমে অত্যন্ত সময় নেয়। ফলে অন্য কাজের এনার্জি কমে যায়, গ্যাস, বদহজমের সমস্যা এমনই নানান রোগ দেখা দেয়। তাই বাদাম ও টকদই, মাংস-মাছ, চিজ ও ডিম এই ধরনের কনসেন্ট্রেটেড প্রোটিন একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। সেই সঙ্গে মনে রাখা প্রয়োজন খাওয়ার সঙ্গে জল, বা জুস বা অন্য কোনও পানীয় পান করলে তা পাচন উৎসেচকগুলোর ঘনত্ব কমিয়ে দেয়। তাই সব সময় খেতে বসার অন্তত ১০ মিনিট আগে জল পান করা উচিত। আর খাওয়া শেষে অন্তত ২০ মিনিট পরেই জল খান।