বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে দোল খেলা। বসন্ত আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৃতি সেজে উঠেছে নিজ মত করে। বসন্ত মানেই কোকিলের ডাকের পাশাপাশি নানা রঙের ফুলে ভরে উঠেছে প্রকৃতি। তাই বসন্তের বিশেষ এই উৎসবে মেতে ওঠে ছোট থেকে বড় সব বয়সী। তবে রঙ খেলা হবে অথচ খাওয়া হবে না তা কী হয়! এক কথায় দোল মানেই সব নিয়মের বাইরে বেরিয়েও একটু বেশি আনন্দ আর সঙ্গে খাওয়া দাওয়া তো আছেই। আর বাঙালি মানেই যে খাওয়ার প্রতি একটু বেশিই টান থাকে তাও সকলের জানা। তবে অনেকেই আছেন যারা রং খেলার থেকে বেশি খাওয়ার বিষয়ে বেশি আগ্রহী। তাই দোলের দিন রঙ খেলার পাশাপাশি প্রিয়জনদের সঙ্গে জমিয়ে আনন্দ করে খেতে রাজ্য মৎস্য দফতরের অধীনস্ত মৎস্য উন্নয়ন নিগম লিমিটেড-এর ‘ভুরিভোজ’ রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয়েছে পঞ্চব্যঞ্জনের।

আরও পড়ুন- হোলি স্পেশাল রেসিপি, দোলের দিনের ভুরিভোজ জমে উঠুক লোভনীয় চিংড়ির পদে

আরও পড়ুন- ক্ষতিকর রাসায়নিক নয়, রঙ খেলায় মেতে উঠুন ভেষজ রঙ দিয়ে

দোল ও হোলি উৎসব উপলক্ষে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে সল্টলেকের এই রেস্তোরাঁয় আয়োজন করা হয়েছি বিশেষ ৫ টি থালির। এই থালিগুলির নাম ১) দোলযাত্রা স্পেশাল থালি, ২) দোলপূর্ণিমা স্পেশাল থালি, ৩) রঙ্গোলি স্পেশাল থালি, ৪) রং বরসে থালি এবং ৫) বসন্ত উৎসবের থালি। এই থালিগুলির দামও রাখা হয়েছে সাধ্যের মধ্যেই। ভোজন রসিক বাঙালিদের কাছে এর চেয়ে ভাল খবর আর কী হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই বিশেষ অফার শুরু হয়েছে ১ মার্চ থেকে চলবে ১৫ মার্চ অবধি। তাই এই পঞ্চব্যঞ্জনে ভোজন করতে ১৫ মার্চের মধ্যেই এই থালি চেখে দেখতে পারবেন।

স্টেট ফিসারি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুব্রত মুখোপাধ্যায় এই দোল উৎসবের স্পেশাল থালির বিষয়ে জানিয়েছেন, এই পাঁচ রকম বিশেষ থালি ছাড়াও দোল উৎসব উপলক্ষে রয়েছে বিশেষ ঠাণ্ডাইয়ের আয়োজন। ১৫ মার্চ পর্যন্ত এই বিশেষ থালিগুলির স্বাদ নেওয়ার সুযোগ পাবেন সকলে। এই রেস্তোরাঁ খোলা থাকছে সকাল ১০টা থেকে রাত ১২টা অবধি। শুধুমাত্র দোলের দিন বেলা ৩টের পর থেকে পাওয়া যাবে। তাই এই থালি চেখে দেখতে হলে নলবন ফুড পার্কের ৩ নম্বর গেটে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে‘ভুরিভোজ’রেস্তোরাঁয় আপনাকে আসতে হবে।