কেশিয়াড়ি ব্লকের বিজেপি নেতারা তৃণমূলে  জেলা তৃণমূল সদর দফতরে বিজেপির এক ব্লক শীর্ষ নেতা ঘাসফুলে উপপ্রধান, চারজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ঘাসফুলে যোগ দিতেই অস্বস্তি বাড়ে পদ্ম শিবিরে 

সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ি ব্লকের বেশ কিছু বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগ দিলেন। জেলা তৃণমূল সদর দফতরে বিজেপির এক ব্লক শীর্ষ নেতা ছাড়াও একজন উপপ্রধান, চারজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য এদিন ঘাসফুলে যোগ দিতেই অস্বস্তি বাড়ে পদ্ম শিবিরে। যদিও দলত্যাগীদের বিজেপির আবর্জনা বললেন জেলা সভাপতি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোমবার রাতে তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতির হাত থেকে পতাকা তুলে নিয়েছেন ব্লকের দক্ষিণ মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক গয়াপ্রসাদ পালুই, বাগাস্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শুকরাম সিং, তিন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সীতা প্রামানিক, চন্দনা রাউত, পাখি রাউত । এছাড়াও তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন খড়িপাড়া বুথ সভাপতি দয়াল রাউত, নিত্যানন্দ রাউত, প্রবীর রাউত, সুদীপ ঘোষ , রাজেশ ঘোষ, বল্লভ দণ্ডপাট, গুরুপদ সিং সহ অনেকে। 

দলত্যাগী গয়াপ্রসাদ পালুই বলেন, 'আমরা বিজেপির হয়ে মানু্ষের উন্নয়ন ও প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দলে সেই সু্যোগ ও পরিবেশ নেই। বরং মানু্ষের কাজ করতে চেয়ে পদে পদে দলে অসম্মানিত হয়েছি। তাই দল ছাড়তে বাধ্য হলাম। আমরা তৃণমূলের হয়ে মানু্ষের জন্য কাজ করতে চাই।' এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি শমিত দাস বলেন, ' ভালই হল ! এরা অটো ক্লিনিং পদ্ধতিতে দলের বাইরে চলে গেল। বিজেপির আবর্জনা কোনও দলে গেলে আমাদের কিছু বলার নেই।' 

এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি শমিতবাবু । তিনি বলেন , এদের সরানোর প্রক্রিয়া দলে শুরু হয়ে গিয়েছিল। ওই এলাকার মহিলা প্রধানকে ব্ল্যাকমেল করে উন্নয়নের কাটমানি চাইতেন এরা। বিজেপি করবেন আর কাটমানি নেবেন তা হয় না। যেখানে কাটমানি আছে সেখানে গেছে। কিছু দুষ্কৃতী নিয়ে এলাকায় এরা একসময় গন্ডগোল করেছিল। আমরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দেই। 

তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, ' এরপর দেখবেন প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিজেপির নেতা কর্মী আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন। এরা দিলীপ ঘোষের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়েই মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের উন্নয়নের অংশীদার হতে চাইছে। তাই এখন এরকম ঘটনা প্রায়ই ঘটবে। '