ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেডের তালিকার শীর্ষে থাকা দাউদ ইব্রাহিমের ঘরেও হামলা চালাল করোনাভাইরাস। রেহাই দিল না ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফেরণের অন্যতম দাউদ ইব্রাহিমের স্ত্রীকেও। সূত্রের খবর দাউদ ও তার স্ত্রী দুজনেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এই খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাউডের ব্যক্তিগত কর্মী ও  নিরাপত্তা রক্ষীদের কোয়ারেন্টাইনে পাঠান হয়েছে। 

 শুধু ভারতেরই নয় বিশ্বেও মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় নাম রয়েছে দাউদের। কুখ্যাত ডনকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান। পাক প্রশাসনের একটি সূত্র জানাচ্ছে দাউদ ও তার স্ত্রীর চিকিৎসা চলছে করাচির সেনা হাসপাতালে। যদিও অন্য একটি সূত্র পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইকে উদ্ধৃত করে  বলছে বর্তমানে ওই দম্পতিকে সেনা হাসপাতালেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা  হয়েছে।  আর এই ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে আবারও সত্য বলে প্রমানিত হবে ভারতের দাবি। কারণ ভারত দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছিল কুখ্যাত ডন দাউদকে আশ্রয় দিয়েছে পাকিস্তান। একাধিকবার সেই প্রমানও তুলে দেওয়া হয়েছে পাক প্রশাসনের হাতে। কিন্তু বারবার ভারতের এই দাবি অস্বীকার করে আসছে পাকিস্তান। 


১৯৯৩ সালের মুম্বই হামলার মাস্টার মাইন্ড ছিল দাউদ ইব্রাহিম। বর্তমানে আন্ডার ওয়ার্ল্ড ডনহিসেবেই তার পরিচিত। দেশ ছাড়া হলেও মুম্বইয়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখন দাউড বাহিনী সক্রিয় বলে অভিযোগ। মুম্বই হামলার পরপরই দেশ ছাড়ে দাউদ। দাউদ ও পরিবার বরাবরই সাধারণ মানুষের নজরের বাইরে থেকে।  তার তিন মেয়ে এক ছেলে। 

'করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিথিল হচ্ছে লকডাউনের নিয়ম', সমালোচনা রাহুলের ...

লকডাউনে ফাঁক থাকায় করোনা সংকট কমেনি ভুল পথে চালিত হয়েছি, মন্তব্য শিল্পপতি রাজীব বাজাজের ...

করোনার কোপে কি প্রকল্পও, আগামী এক বছর নতুন পরিকল্পনা নয় বলে ঘোষণা অর্থমন্ত্রকের ...

পাকিস্তানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। বর্তমানে এই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৯২৪৯। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১,৮৩৮ জনের। বেশ কয়েক দিন আগেই পাকিস্তানে অবস্থিত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের অফিসেও হানা দিয়েছিল করোনাভাইরাস। আক্রান্ত হয়েছিলেন এক রাষ্ট্রদূত। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও জানান হয়েছে।