পাকিস্তানের জন সংযোগ অধিকর্তা, মেজর জেনারেল আসিফ গফুর এদিন একটি টুইট করে জানান যে, আগামী অর্থবর্ষের জন্য সামরিক খাতে খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, এক বছরের জন্য খরচ কম করা হলেও এর জন্য দেশের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষার সঙ্গে এতটুকু আপোস করা হচ্ছে না। আরও বলা হয়েছে যে, দেশের উপর সমস্ত রকমের নিরাপত্তার বেষ্টনি এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। 

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পার প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি জানিয়েছেন, দেশের অর্থনৈতিক দিক থেকে এমন কঠিন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এমন পদক্ষেপ-এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন যে, নিরাপত্তাক্ষেত্রের যাবতীয় চ্যালেঞ্জকে সামলে পাক সেনাবাহিনীর এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।  

প্রশংসা এসেছে আরও বিভিন্ন মহল থেকেও। পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফওয়াদ চৌধুরীর কথায়, এই সিদ্ধান্ত নেহাতই কোনও সাধারণ সিদ্ধান্ত নয়। পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিক এবং সেনাবাহিনীর মধ্যেকার গভীর যোগসূত্র থাকলে তবেই দেশের শাসন ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিকক্ষেত্রে যাবতীয় সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ বাজেট ঘোষিত হবে আগামী ১১ জুন। 

আজ থেকে ৫০ বছর আগে শুরু হয়েছিল পৃথিবীর প্রথম সমকামী আন্দোলন

জঙ্গি সংযোগ থাকার সন্দেহে ইস্তফা দিলেন শ্রীলঙ্কার মন্ত্রী ও রাজ্যপাল

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের দ্বারা প্রকাশিত হিসাব বলছে ২০১৮ সালে প্রতিরক্ষা খাতে খরচের দিক দিয়ে পাকিস্তানের স্থান ছিল ২০ নম্বরে। সেবছর পাকিস্তানের সামরিক খাতে হওয়া খরচের পরিমাণ ছিল, ১১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সেই বছরের বাজেটে সামরিক খাতে খরচ হয়েছিল পাকিস্তানের জিডিপির ৪ শতাংশ। আর এবার সেই খরচেই রাশ টানতে চলেছে পাক সেনাবাহিনী।