করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে পাকিস্তানে। আক্রান্তের সংখ্যা ১লক্ষের বেশি। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৩০০ জনের। এপরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে লকডাউনে যেতে পরামর্শ দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংক্রমণ যাতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে না পারে সেই জন্য দুসপ্তাহ লকডাউন আর দুসপ্তাহ আনলক পদ্ধতিতে হাঁটতে পরারমর্শ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে আর্থিক বৃদ্ধিও বজায় থাকবে বলে জানান হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান আগামী দিনে করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনতে  কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সেটাই দেখার। 

মাস্কের ভুল ব্যবহারে করোনা বিপদ বাড়তে পারে, যে সাধারণ ভুলগুলি হয়ে থাকে শুধরেনিন ...

'করোনা এক্সপ্রেস' নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন মমতা, বললেন ওটা 'জনতার কথা' ...

করোনা মহামারী ভারতে এখনও গোষ্ঠী সংক্রমণের আকার নেয়নি , চরম সময় আশ্বাস দিল কেন্দ্র ...

মহামারীর প্রাদুর্ভাব কমাতে বিশ্বের একাধিক দেশই নিজের মত করে লকডাউনেই আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু পাক প্রধানমন্ত্রী এখনও পর্যন্ত সেই দিকে হাঁটেননি। তিনি বলেছিলেন লকডাউনের ধাক্কা সামলাতে পারবে না এই দেশ। অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আরও তলানিতে নেমে যাবে। তাই লকডাউনে প্রথম থেকেই সায় দেননি ইমরান। কিন্তু একাধিক প্রদেশ নিজেদের মত করে লকডাউনের পথেই হেঁটেছে। তবে প্রথম থেকেই সীমান্ত সিল করে দিয়েছে পাকিস্তান। আফগানিস্তানসহ একাধিক দেশে থাকা পাক নাগরিকদের খুবই ধীরে ধীরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু তাতেই সামাল দেওয়া যায়নি সংক্রমণ। 

বৃহস্পতিবার পাক স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব আনুয়ায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা প্রায়  ৬ হাজার। ভয়ঙ্কর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পঞ্জাব, সিন্ধ আর খাইবার পাখতুন প্রদেশে। করোনা আক্রান্ত দেশের ক্রম তালিকায় প্রথম ১০-এ জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তান। এই পরিস্তিতিতে দাঁড়িয়ে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশটিকে সংক্রমণ রুখতে আর নাগরিকদের জীবন সুরক্ষিত করতে লকডাউনে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।