Chinnaswamy Stadium: দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রথমবার আইপিএলে (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন হয়ে সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবসান ঘটিয়েছিল রয়্যাল চ্য়ালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru)। RCB-র হোম গ্রাউন্ড চিন্নাস্বামীতে ঘটে গিয়েছিল মর্মান্তিক ঘটনা।

Chinnaswamy Stadium: দীর্ঘ ১৮ বছর পর প্রথমবার আইপিএলে (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন হয়ে সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবসান ঘটিয়েছিল রয়্যাল চ্য়ালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru)। কিন্তু কাপ জয় উদযাপন করতে গিয়ে আরসিবি-র হোম গ্রাউন্ড চিন্নাস্বামীতে ঘটে গিয়েছিল মর্মান্তিক ঘটনা। গত বছর ৪ জুন বিরাট, রজত পাতিদারের প্রথম আইপিএল জয়ের উদযাপনে ব্যাপক উন্মাদনায় বেঙ্গালুরু-র এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে একটি মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। সেইদিন আরসিবি (Royal Challengers Bengaluru) তাদের ১৮ বছরের অপেক্ষার পর প্রথম আইপিএল শিরোপা জেতার আনন্দে উদযাপন চলছিল। সেই সময় ভিড়ের চাপে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। এই দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ৫০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।

১১টি খালি হৃদয়ের প্রতীক ১১টি খালি আসনে

সেই ১১জনের মৃত্যুর শোকপালন ও স্মৃতিতে বড় উদ্যোগ নিল আরসিবি কর্তৃপক্ষ। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ভিতর স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকবে ১১টি আসন, যা প্রতিটি ম্যাচের দিন খালি রাখা হবে। এই আসনগুলো উৎসর্গ করা হয়েছে সেই ১১ জন সমর্থকের স্মৃতিতে, যারা এক মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। স্টেডিয়ামের ১১টি আসন সংরক্ষণের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কর্ণাটক রাজ্যে ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। প্রসাদ জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এটি এক ধরনের স্থায়ী স্মারক, যা সেই ক্রিকেটপ্রেমীদের স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখবে, যাদের জীবন অকালেই থেমে গিয়েছিল।

চিন্নাস্বামী পদপিষ্ট কাণ্ডের মর্মান্তিক ছবি

আগামী শনিবার আইপিএলে চিন্নাস্বামীতে নামচে আরসিবি ও সান রাইজার্স হায়দরাবাদ

কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু রয়্যালসের যৌথ সিদ্ধান্তে নেওয়া এই পদক্ষেপ দায়িত্ববোধ ও সম্মানের এক অনন্য উদাহরণ। আগামী ২৮ মার্চ, শনিবার ১০ মাস পর ক্রিকেট ফিরছে যখন আবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে। আইপিএল ২০২৬-এর ম্য়াচে চিন্নাস্বামীতে মুখোমুখি হবে আরসিবি ও সান রাইজার্স হায়দরাবাদ। সেই ম্যাচ থেকেই ১১টি খালি আসন ও স্মৃতি সৌধ গত বছর ৪ জুনের সেই মর্মান্তিক ঘটনার এক নীরব সাক্ষী হয়ে থাকবে।