আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৯৮ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বিরাট কোহলি ভারতীয় দলকে চার উইকেটে জয় এনে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ২০২৫ সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে বিরাট কোহলি অসাধারণ ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়েছেন। ৯৮ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বিরাট ভারতকে চার উইকেটে জয় এনে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছেন। ২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতীয় দল ৪৮.১ ওভারে জয় পায়। বিরাট ছাড়াও শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল, কেএল রাহুল এবং হার্দিক পান্ডিয়া যথাক্রমে ৪৫, ২৭, ৪২ এবং ২৮ রান করে ভারতের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বিরাট প্রথমে শ্রেয়াস এবং পরে অক্ষরের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতীয় ইনিংসকে স্থিতিশীল করেন। ৮৪ রানের ইনিংসে ৩৬ বছর বয়সি বিরাট আইসিসি ওডিআই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে দেন। বিরাট ৫৩ ইনিংসে ২৪ বার পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করেন। যার মধ্যে রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ এবং চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। সচিন ৫৮ ইনিংসে ২৩ বার পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বিরাটের অসামান্য পারফরম্যান্স

বিরাট ওডিআই বিশ্বকাপে ১৭ বার পঞ্চাশোর্ধ্ব রান করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ৫টি সেঞ্চুরি এবং ১২টি অর্ধশতরান। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তিনি একবার শতরান এবং ছয়বার অর্ধশতরান করেছেন। এছাড়াও আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতীয় দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করার রেকর্ড গড়েছেন বিরাট। তিনি শিখর ধাওয়ানের ৭০১ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। মঙ্গলবার ৮৪ রান করার সুবাদে এই টুর্নামেন্টে বিরাটের রান ৭৪৬। চলতি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে বিরাট। তিনি চার ম্যাচে ৭২.৩৩ গড়ে ২১৭ রান করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে একটি শতরান এবং একটি অর্ধশতরান।

রান তাড়া করার সময় ৮০০০ রান বিরাটের

সচিনের পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ওডিআই ফর্ম্যাটে রান তাড়া করার সময় ৮০০০ রান করলেন বিরাট। সচিন ২৪২ ম্যাচে ৮৮.৪ স্ট্রাইক রেটে ৮৭২০ রান করেন। বিরাট ১৭০ ম্যাচে ৮০০০ রান পেরিয়ে গেলেন।

ভারতকে ফাইনালে তুললেন বিরাট

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বিরাট বলেছেন, 'আমি মনে করি এটা পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের মতোই ছিল। আমি যখন শতরান পেয়েছিলাম তখন সাতটি বাউন্ডারি মেরেছিলাম। আমার কাছে এটা শুধু পরিস্থিতি বোঝার ব্যাপার। সেই অনুযায়ী আমার খেলা প্রস্তুত করা, স্ট্রাইক রোটেট করা। কারণ, এই পিচে পার্টনারশিপই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।'

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।