Imran Khan's Imprisonment: পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গত তিন বছর ধরে কারাগারে বন্দি। কারাগারেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তাঁকে মুক্তি দিচ্ছে না। তাঁকে হাসপাতালের বদলে কারাগারে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে ইমরানের মুক্তির দাবি উঠলেও, সেই দাবি মানছে না পাকিস্তান সরকার।
KNOW
Imran Khan News: এক সাক্ষাৎকারে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন পাকিস্তানের (Pakistan) জাতীয় ক্রিকেট দলে তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ জাভেদ মিঁয়াদাদ (Javed Miandad)। তিনি এক ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘ও একজন সৎ মানুষ। ও এমন একজন ব্যক্তি নয় যে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকবে। না হলে ও অনেক কিছুই করতে পারত। ওকে যদি মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে কী হবে? ও কি কাউকে খেয়ে ফেলবে না কারও ক্ষতি করবে? ও তো কারও ছেলে। আমি সবসময় ভাবি, ও কী করছে।’ ইমরানকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন মিঁয়াদাদ। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের হয়ে খেলেছেন। তাঁরা একসঙ্গে ১৯৯২ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ (Cricket World Cup 1992) চ্যাম্পিয়ন হন। জাতীয় দলের পাশাপাশি কাউন্টি ক্রিকেটেও একসঙ্গে খেলেছেন ইমরান ও মিঁয়াদাদ। এই কারণেই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রাক্তন ব্যাটার। তিনি ইমরানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
৩ বছর ধরে কারাগারে ইমরান
পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান ২০২৩ সাল থেকে রাওয়ালপিন্ডির (Rawalpindi) আদিয়ালা জেলে (Adiala Jail) বন্দি। দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ৭৩ বছর বয়সি এই প্রাক্তন ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদের স্বাস্থ্য ও কারাগারে তাঁর সঙ্গে আচরণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ইসলামাবাদে (Islamabad) ইমরানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর তাঁকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court of Pakistan) নির্দেশ ছিল, তাঁকে শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে (Shifa International Hospital) নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করাতে হবে এবং তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক-সহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে। তবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা যেভাবে করা হয়েছে, তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে দল।
ইমরানের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার মিঁয়াদাদের
পাকিস্তানের ক্রিকেট মহলে দীর্ঘদিন ধরে শোনা যায়, ইমরান ও মিঁয়াদাদের সম্পর্ক ভালো নয়। তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। কিন্তু এবার সে কথা অস্বীকার করেছেন মিঁয়াদাদ।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


