Lionel Messi: সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবলে (FIFA World Cup 2026) অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। বয়স তাঁর ফিটনেস ও পারফরম্যান্সে থাবা বসাতে পারেনি। আগামী বছরের ওডিআই বিশ্বকাপে (2027 ICC Men's Cricket World Cup) ভারতীয় দল নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মেসির উদাহরণই দিয়েছেন হরভজন।
KNOW
2027 ICC Men's Cricket World Cup: বয়স নয়, পারফরম্যান্স ও ফিটনেস, এই দুই বিষয়ের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) জায়গা নির্ধারণ করা উচিত বলে মনে করেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। তাঁর মতে, দু’জনেই যদি ধারাবাহিকভাবে রান করেন এবং নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখতে পারেন, তাহলে বয়স কোনওভাবেই তাঁদের নির্বাচনের পথে বাধা হওয়া উচিত নয়। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে হরভজন বলেন, 'পারফরম্যান্সই হওয়া উচিত মাপকাঠি, বয়স নয়।'
মেসি পারলে বিরাট-রোহিত নয় কেন?
২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের সময় বিরাটের বয়স হবে ৩৯ বছর এবং রোহিতের বয়স হবে ৪০ বছর। দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa), জিম্বাবোয়ে (Zimbabwe) ও নামিবিয়ায় (Namibia) আয়োজিত সেই বিশ্বকাপে তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলেই মনে করেন হরভজন। নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে এই প্রাক্তন স্পিনার টেনে আনেন আর্জেন্টিনার (Argentina) অধিনায়ক লিওনেল মেসির Lionel Messi উদাহরণও। তাঁর যুক্তি, বয়স বাড়লেও একজন খেলোয়াড় যদি নিজের ফিটনেস ও দক্ষতা ধরে রাখতে পারেন, তাহলে তাঁকে বাদ দেওয়ার কোনও কারণ নেই। হরভজন বলেছেন, ‘বিরাটের বয়স ৩৯ হতে পারে। কিন্তু সে যদি এখনও ২০ বছরের ছেলেদের টেক্কা দিতে পারে, তাহলে বয়স কোনও বিষয় নয়।’ এই তারকা আরও বলেন, ফিটনেসের সঙ্গে পারফরম্যান্সই হবে চূড়ান্ত মাপকাঠি। বিরাট ও রোহিত যদি রান করেন এবং শারীরিক সক্ষমতার দিক থেকে শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer) বা যশস্বী জয়সওয়ালের (Yashasvi Jaiswal) মতো তরুণদের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেন, তাহলে তাঁদের বিশ্বকাপের দলে রাখার ক্ষেত্রে বয়সকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।
বিরাটের ফিটনেসের প্রশংসায় হরভজন
ভারতীয় ক্রিকেটে ফিটনেসের গুরুত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিরাটের ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন হরভজন। তাঁর মতে, অধিনায়ক হওয়ার পর দলের মানসিকতাতেও বড় পরিবর্তন এনেছিলেন বিরাট। হরভজনের মতে, বিরাটের নেতৃত্বে ভারতীয় দল ম্যাচ জেতার পাশাপাশি কঠিন পরিস্থিতিতেও ফলের জন্য আক্রমণাত্মকভাবে চেষ্টা করার মানসিকতা তৈরি করে। এমনকী, টেস্ট ম্যাচের শেষ দিনেও বড় রান তাড়া করা বা দ্রুত ১০ উইকেট নেওয়ার জন্য ঝুঁকি নেওয়ার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল। ভারতীয় দলের ফিটনেস সংস্কৃতির পরিবর্তনের জন্য বিরাটকে ৯০ শতাংশ কৃতিত্বও দিয়েছেন হরভজন। বিরাট ও রোহিত ইতিমধ্যেই টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে ওডিআই-তেই এখন তাঁদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপে তাঁদের দেখা যাবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত হবে রান, ধারাবাহিকতা এবং ফিটনেসের উপরেই। হরভজনের বক্তব্যে সেই বার্তাই স্পষ্ট।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


