দিনকয়েক আগে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইডেন গার্ডেন্সকে সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ইডেনের ইন্ডোর ফেসিলিটি ও ক্রিকেটারদের ডর্মিটরিগুলো কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে চাইলেই ব্যবহার অরতে পারে সরকার। জানিয়েছিলেন সিএবি’র প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। যদিও ইডেনকে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র হিসেবে এখনও গ্রহণ করেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু এবার দিল্লির  জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামকে কেজরিওয়াল সরকারের হাতে তুলে দিল স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। সংকটের সময় কোভিড-১৯ আক্রান্তদের কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক এই স্টেডিয়ামকে।

আরও পড়ুনঃকরোনা যুদ্ধে ৮০ লক্ষ টাকা দিলেন রোহিত শর্মা, যা ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বাধিক

দেশ জুড়ে ক্রমশ বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। আক্রান্তের নিরিখে মহারাষ্ট্র ও কেরলের পর তৃতীয়স্থানেই রয়েছে রাজধানী নয়াদিল্লি। করোনার জেরে গোটা দেশের সঙ্গে চরম স্বাস্থ্য সংকটে রাজধানীর চিকিৎসা ব্যবস্থাও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লকডাউন চললেও ক্রমাগত বাড়ছে রাজধানীতে কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা। ফলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা ভেবে হাসপাতালের বাইরেও একাধিক জায়গাকে পরিণত করা হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন হাসপাতালে। তাই এবার দেশের অন্যতম সেরা স্টেডিয়ামকে তৈরি করা হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে,দিল্লির সরকারের তরফ থেকে আমাদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আমরা নেহরু স্টেডিয়ামকে সরকারের হাতে তুলে দিয়েছি। ইতিমধ্যেই সোনপাত সেন্টারকে আমরা সরকারের হাতে তুলে দিয়েছি। পাতিয়ালার সাই ট্রেনিং সেন্টারও ১২০ সংখ্যার আসনবিশিষ্ট কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃস্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মান জানিয়ে মাথা মুন্ডন করলেন ওয়ার্নার, বিরাট কোহলিকে দিলেন একই চ্যালেঞ্জ

আরও পড়ুনঃঘরবন্দি অবস্থায় বুলেট কফি বানানো শেখালেন জন্টি রোডস, বললেন ঠান্ডা জলে স্নানের উপকারিতাও

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪০০ ছাড়িয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। কেন্দ্রের পাশাপাশি পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথাসাধ্য চেষ্টা করছে রাজ্যসরকারগুলি। রাজধানী দিল্লিতে রয়েছে বিশেষ তৎপরতা। কেজরিওয়াল সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার। কিন্তু সাধারণ মানুষ সচেতন ও সতর্ক না হলে এবং সরকারি নিয়ম না মানলে পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাবেই বলেই মত  বিশেষজ্ঞদের।