DR Congo vs Uzbekistan: চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ কে-র ম্যাচে রবিবার ভোরে, আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় কঙ্গো বনাম উজবেকিস্তান। সেই ম্যাচেই ৩-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়ে নক-আউটে পৌঁছে ইতিহাস গড়ল কঙ্গো। গ্রুপ কে থেকে তৃতীয় দল হিসেবে রাউন্ড অফ ৩২-তে পৌঁছে গেল কঙ্গো। সেই দেশের ফুটবল ইতিহাসে নিঃসন্দেহে অনেক বড় ব্যাপার।
DR Congo vs Uzbekistan: চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ কে-র ম্যাচে রবিবার ভোরে, আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় কঙ্গো বনাম উজবেকিস্তান (DR Congo vs Uzbekistan)। সেই ম্যাচেই ৩-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নিয়ে নক-আউটে পৌঁছে ইতিহাস গড়ল কঙ্গো (DR Congo vs Uzbekistan score)।

যদিও শুরুটা ছিল পুরো অন্যরকম। ম্যাচের ১০ মিনিটেই, গোল পেয়ে যায় উজবেকিস্তান। বক্সের একেবারে বাঁদিক থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলপোস্টের টপ রাইট কর্নার দিয়ে গোল করে যান এলডোর শোমুরোদভ। এই গোলটির ক্ষেত্রে অ্যাসিস্ট করেন আকমাল মোজগোভয়। কিন্তু খেলা থেকে একেবারেই হারিয়ে যায়নি কঙ্গো। বরং, পাল্টা আক্রমণ শানাতে শুরু করে তারা।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে, ভিএআর রিপ্লে দেখে কঙ্গোর গোল বাতিল করেন রেফারি। এই গোলটি করেন নাথানায়েল মবুকু। খেলার ২৯ মিনিটে, সুযোগ নষ্ট করেন কঙ্গো ফরোয়ার্ড ইয়োয়ানে উইসার। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ফলাফল নিয়েই। ৫০ মিনিটের মাথায় ফের একবার মিস করেন ইয়োয়ানে উইসা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও চাপ বাড়াতে থাকে কঙ্গো। যেন গোল পেতেই হবে। এই মানসিকতা নিয়ে খেলা শুরু করে তারা।
উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নক-আউটে কঙ্গো
![]()
ম্যাচের ৫৩ মিনিটে, ব্রায়ান সিপেঙ্গারের শট অনেকটা বাইরে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু খেলার ৬২ মিনিটে, কঙ্গো ফুটবলার ইয়োয়ানে উইসাকে পেনাল্টি বক্সের মধ্যে ফাউল করেন এলডর শোমুরোদভ। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে, সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান ইয়োয়ানে উইসা।
তারপরেই শুরু হয় কঙ্গো ঝড়। খেলার ৭৮ মিনিটে, দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে ফিস্টন মায়েলে ডান পায়ের জোরালো শটে টপ লেফট কর্নার দিয়ে বলকে সোজা জালে জড়িয়ে দেন। কঙ্গো লিড নেয় ২-১ ব্যবধানে। তবে সেখানেই শেষ নয়।

৭৮ মিনিটে মিস করেন মেশাক এলিয়া। ৮৮ মিনিটের মাথায়, মেশাক এলিয়ার অ্যাসিস্ট থেকে ফিস্টন মায়েলের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের খেলায় বাজিমাৎ করে কঙ্গো। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শট নেন সেই য়োয়ানে উইসা এবং গোল। কার্যত, জয়সূচক গোল। শেষপর্যন্ত, উজবেকিস্তানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় কঙ্গো।
ইতিহাস গড়লেন ইয়োয়ানে উইসারা

আর এই ম্যাচ জয়ের ফলে, তিন ম্যাচ খেলে কঙ্গোর পয়েন্ট ৪। এমনিতে পর্তুগাল-কলম্বিয়া ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হওয়ার ফলে, তিন ম্যাচ খেলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ কে-র টপার হিসেবে নক-আউটে চলে গেল কলম্বিয়া। অন্যদিকে, তিন ম্যাচ খেলে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ কে-র দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে গেল পর্তুগাল। কিন্তু এবার ১২টি দল থেকে দুটি করে দল রাউন্ড অফ ৩২ -তে যাওয়ার পর, আরও আটটি দল যাবে। নিয়মটা হচ্ছে, ১২টি গ্রুপ মিলিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে সেরা আটটি দল যাবে পরের রাউন্ডে। অর্থাৎ, ১২টির মধ্যে আটটি গ্রুপ থেকে আরও একটি করে দল কোয়ালিফাই করবে। কিন্তু সেটা ঠিক হবে সমস্ত গ্রুপের ম্যাচ শেষ হলে।

এটি ছিল এই গ্রুপের শেষ ম্যাচ। তার ফলে, ছবিটা পরিষ্কার। গ্রুপ কে থেকে তৃতীয় দল হিসেবে রাউন্ড অফ ৩২-তে পৌঁছে গেল কঙ্গো। সেই দেশের ফুটবল ইতিহাসে নিঃসন্দেহে অনেক বড় ব্যাপার।
ফুটবল বিশ্বকাপের সব খবর সব আগে, শুধুমাত্র এশিয়ানেট নিউজ বাংলায়।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।