Indian Super League: সোমবার, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আইএসএল-এর ১৪টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় দিল্লিতে। সেই বৈঠকে সভাপতি কল্যাণ চৌবে সহ ফেডারেশনের একাধিক কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই আইএসএল-এর ক্লাবগুলির তরফ থেকে সম্পূর্ণভাবে ফুটবল লিগটি পরিচালনার বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়।
Indian Super League: আগামী মরশুমের আইএসএল নিয়ে জটিলতা কাটছে (indian super league news)। এই মেগা টুর্নামেন্টের সমস্ত ক্লাব মিলে একটি অপারেশনস বডি তৈরি হবে, তারাই এই প্রতিযোগিতা পরিচালনা করবে। কারণ, ক্লাবগুলি মিলে আইএসএল চালানোর যে প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে সায় দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় (indian super league issues)।

এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, দ্রুত সমস্ত ক্লাবের সঙ্গে বৈঠকে বসে একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করতে হবে। এই টাস্ক ফোর্স পরবর্তী বৈঠকে আইএসএল-এর বাণিজ্যিক এবং আর্থিক পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করবে।
নতুন মডেলে হবে আইএসএল
সোমবার, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আইএসএল-এর ১৪টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় দিল্লিতে। সেই বৈঠকে সভাপতি কল্যাণ চৌবে সহ ফেডারেশনের একাধিক কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই আইএসএল-এর ক্লাবগুলির তরফ থেকে সম্পূর্ণভাবে ফুটবল লিগটি পরিচালনার বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সেই প্রস্তাব পছন্দও হয়েছে।
তিনি ফুটবল ক্লাবগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, তারা যেন তাদের পরিকল্পনা মতোই এগোতে শুরু করে। আগামী চার বছরের জন্য একটি আর্থিক রূপরেখা তৈরি করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, ক্লাবগুলির তরফ থেকে চার বছরের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ক্লাব প্রত্যেক বছর ফেডারেশনকে ১.১ কোটি টাকা করে দেবে। ফলে, প্রতি বছর ফেডারেশনের ঘরে আসবে মোট ১৫.৪ কোটি টাকা। কিন্তু আইএসএল-এর আয়োজক হিসেবে ফেডারেশন যাদের কথা প্রথমে ভেবেছিল, সেই জিনিয়াস স্পোর্টস প্রতি বছর ১২.৪ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
দেখা যাচ্ছে, ক্লাবগুলির জোট তার চেয়েও তিন কোটি টাকা বেশি দিচ্ছে এআইএফএফ-কে। এই বিষয়ে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি প্রফুল প্যাটেল এই বৈঠকের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। তিনিই বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হয়েছেন। পাশাপাশি সম্প্রচারকারী খুঁজে আনার ব্যাপারেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
লাভের অঙ্ক কত হতে পারে?
তবে বিষয়টা এইরকম নয় যে, জিনিয়াস স্পোর্টসকে নিয়ে ক্লাবগুলির অসন্তোষ রয়েছে। সেটা কোনও সমস্যা নয়। কিন্তু মুশকিলটা হচ্ছে যে, লিগ আয়োজনে ক্লাবদের কোনও মতামত থাকবে না, এই বিষয়টিই তারা মেনে নিতে পারছে না।
তাছাড়া ২০ বছরের মতো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি আদতে সঠিক সিদ্ধান্ত নয়, এই মর্মেও তারা একটি বিকল্প প্রস্তাব দেয়। সেখানে সায় দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী। দেশের স্পোর্টস বিজনেস এবং ইকোনমিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সবাইকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে, আইএসএল-এর বিজনেস মডেলটিও দ্রুত তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
