Messi Statue in Kolkata: তবে কোনও খারাপ পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেইজন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সেখানে পৌঁছে যান পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার এবং সরকারি আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল লেকটাউন থানার পুলিশ। কারণ, স্থানীয়রা লেকটাউন থানায় অভিযোগ করেন যে, মেসির স্ট্যাচু হাওয়াতে দুলতে শুরু করেছে। ফলে, যখন তখন ভেঙে পড়তে পারে।

Messi Statue in Kolkata: মেসির মূর্তি দুলছে। আজব কাণ্ড লেকটাউনে (messi statue lake town)। হাওয়া দিতেই দুলে উঠল সুজিতের উদ্যোগে লেকটাউনে তৈরি মেসির মূর্তি। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা করছেন, এই মূর্তিটি ভেঙে পড়লে বিপদ হতে পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই তো কয়েকদিন আগে তৈরি ওরা হল। তার মধ্যেই এইরকম অবস্থা (messi statue lake town kolkata)? 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হাওয়া দিতেই দুলে উঠল মেসির মূর্তি

তবে কোনও খারাপ পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেইজন্য বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সেখানে পৌঁছে যান পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার এবং সরকারি আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল লেকটাউন থানার পুলিশ। কারণ, স্থানীয়রা লেকটাউন থানায় অভিযোগ করেন যে, মেসির স্ট্যাচু হাওয়াতে দুলতে শুরু করেছে। ফলে, যখন তখন ভেঙে পড়তে পারে। 

তারপরেই ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ এবং সরকারি আধিকারিকরা পরিদর্শন করে আসেন। জানা যাচ্ছে, বড় বিপদ যাতে না ঘটে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্ভবত, সোমবার রাতেই এই মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হতে পারে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে, রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী এবংবিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুর উদ্যোগে ঐ মূর্তিটি তৈরি করা হয়।

সুজিতের তত্ত্বাবধানে এবং উদ্যোগেই মূর্তিটি তৈরি হয়

উল্লেখ্য, বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা তথা আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির কলকাতা সফরের সময় তৈরি করা হয় এই মূর্তি। ভার্চুয়ালি ৭০ ফুটের এই মূর্তিটির উদ্বোধন করেন খোদ এই আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকা। তখন তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। 

সুজিতের তত্ত্বাবধানে এবং উদ্যোগেই মূর্তিটি তৈরি হয় লেকটাউনে। শিল্পী মন্টি পালের নেতৃত্বে তৈরি হয় এই প্রোজেক্ট। সেই মূর্তিই এবার দুলতে শুরু করেছে। এই গরমে সবাই একটু মুক্ত ঠাণ্ডা বাতাস চাইছেন। কিন্তু লেকটাউনে হাওয়া দিলেই বিপত্তি। দুলে উঠছে লিওনেল মেসির বিশাল মূর্তি। এমন পরিস্থিতি যে, যখন তখন সেই মূর্তি ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকার মানুষজন।

তাই কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির আগেই স্পটে পৌঁছে যান পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়ার এবং সরকারি আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল লেকটাউন থানার পুলিশ। সোমবার রাতেই সেই মূর্তি ভেঙে দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।