Tanmoy Dhar Referee: আই লিগ, আইএসএল এবং কলকাতা লিগ সহ একাধিক মেগা ফুটবল প্রতিযোগিতায় রেফারিং করিয়েছেন তিনি। কিন্তু এবার সেই অভিজ্ঞ সিনিয়র রেফারিই কার্যত, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কী জানালেন তন্ময় (tanmoy dhar)?

Tanmoy Dhar Referee: বোমা ফাটালেন বঙ্গ রেফারি তন্ময় ধর (tanmoy dhar referee news)। আই লিগ, আইএসএল এবং কলকাতা লিগ সহ একাধিক মেগা ফুটবল প্রতিযোগিতায় রেফারিং করিয়েছেন তিনি। কিন্তু এবার সেই অভিজ্ঞ সিনিয়র রেফারিই কার্যত, বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কী জানালেন তন্ময় (tanmoy dhar)? 

কলকাতা ময়দানের অন্ধকার দিক!

বাংলার এই রেফারির কথায়, “এই কেসটা আমার করার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু ক্যালকাটা রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের (CRA) অনেকে বলেছে, তাই এই স্টেপটা নিতে বাধ্য হয়েছি। আমি দীর্ঘদিন ধরে রেফারিং করছি। তবে তারপরেই এই ঘটনার সূত্রপাত। মূলত, ২০২৩ সাল থেকেই! তবে আপনি ২০২২ সালও বলতে পারেন। কিন্তু ২০২২, ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের আইএসএল থেকে আমার নাম কেটে দিয়েছেন উদয়ন হালদার। তিনি ক্যালকাটা রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি ছিলেন। বিশেষ করে, ২০২৩ সালে। ওনাকে আমি বারবার একটাই প্রশ্ন করেছি, কেন আমি নেই? উনি শুধু একটা কথাই বলেছেন, তোমার পারফরম্যান্স খারাপ। তুমি আরও ভালো পারফর্ম করো। সেই সময় থেকেই আমার সন্দেহ হয়। ডুরান্ড কাপ পোস্টিংও আমার সেই বছরটা আসেনি। তারপরে একটা বিষয় ঘটে। তবে আমি সেটা বলতে পারব না। কারণ, সেটি এখন বিচারাধীন বিষয়।" 

কী বলছেন তন্ময় ধর?

তন্ময় ধর বলছেন , “সিআরএ এই বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে। তারা গোটা বিষয়টা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দেয়। সিআরএ, আইএফএ এবং ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই। আমার প্রধান অভিযোগ উদয়নদার বিরুদ্ধে। বেঙ্গল সুপার লিগ নিয়ে সেইভাবে কোনও অভিযোগ নেই। আবার আছেও। প্রাঞ্জল আমার খুব ভালো বন্ধু। আমরা একসঙ্গে রেফারিং জার্নি শুরু করি। আইএসএল-আই লিগ সব একসঙ্গে খেলিয়েছি। ওর বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু ও বেঙ্গল সুপার লিগের সিইও ছিল। আমি কোনও মামলা করিনি প্রাঞ্জলের বিরুদ্ধে। আমি শুধু ক্যালকাটা রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশন, শ্রাচি গ্রুপ এবং আইএফএ-কে একটা লিগাল নোটিস পাঠিয়েছি। কারণ, ফাইনাল ম্যাচে হয়ত আমি পোস্টিং পেতে পারতাম। যদিও এই পুরো সিদ্ধান্তটাই বিএসএল কমিটির হাতে। কিন্তু কিছু জিনিস রয়েছে। কেউ বা কারা জানিয়েছে যে, এই চারজন রেফারিকে যেন দায়িত্ব না দেওয়া হয়। তার মধ্যে আমার নামটাও ছিল।" 

তন্ময় এক্সক্লিউসিভ সাক্ষাৎকারে এশিয়ানেট নিউজ বাংলাকে জানিয়েছেন, "আমার নাকি সেমিফাইনাল ম্যাচে পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। কিন্তু গোটা বিএসএল জুড়েই তো অনেক রেফারির পারফরম্যান্স ওঠানামা করেছে। তারা তো সুযোগ পেল। আমি তো ভালো পারফর্ম করেছি বেশ কয়েকটা ম্যাচে। তাহলে একজন সিনিয়র রেফারির নাম কীভাবে প্যানেল থেকে বাদ গেল? যারা কমিটিতে ছিলেন, তাদের কাছে এই প্রশ্ন করতে চাই। আমি এই ঝামেলার জন্য আদালতে যেতে চাইনা। আমি তাই আইএফএ-র কাছে আবেদন জানিয়েছি, যে এই ঘটনাটা ঘটিয়েছে, তাঁর যেন সম্পূর্ণ শাস্তি হয়। আসলে বেঙ্গল সুপার লিগে যে চারজনকে নিয়ে রেফারিজ কমিটি তৈরি হয়, তার মধ্যে উদয়ন হালদার ছিলেন। তাই তাঁর দিকে আমার সন্দেহের তীর রয়েছে। প্রাঞ্জল বা অন্য দুজন যথেষ্ট ভালো মানুষ। কিন্তু বাকি একজনের প্রতি আমার অভিযোগ। তবে যেহেতু রেফারিজ কমিটিতে চারজন ছিল, তাই দায়ভার তো তাদের উপরেই বর্তাবে। ফাইনাল ম্যাচে ভালো রেফারি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু কেউ বা কারা সেখানে আমার নাম ঢুকিয়ে বাদ দিয়েছে। এটা অন্যায়।" 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।