Tutu Bose: মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। কার্যত, ক্রীড়া প্রশাসনে নক্ষত্র পতন! ময়দান তথা ক্লাব ফুটবল মানচিত্রে অন্যতম এক স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ময়দানকে চিনতেন হাতের তালুর মতো। মোহনবাগান অন্তঃপ্রাণ ছিলেন। ভারতীয় ফুটবল তথা ক্রীড়া প্রশাসনের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল তারার নাম টুটু বসু।

Tutu Bose: প্রয়াত স্বপনসাধন বসু। যিনি ময়দানে অতিপরিচিত ছিলেন টুটু বসু হিসেবেই (tutu bose news)। মঙ্গলবার গভীর রাতে, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। কার্যত, ক্রীড়া প্রশাসনে নক্ষত্র পতন! ময়দান তথা ক্লাব ফুটবল মানচিত্রে অন্যতম এক স্তম্ভ ছিলেন তিনি। ময়দানকে চিনতেন হাতের তালুর মতো। মোহনবাগান অন্তঃপ্রাণ ছিলেন। ভারতীয় ফুটবল তথা ক্রীড়া প্রশাসনের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল তারার নাম টুটু বসু (tutu bose mohun bagan)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ক্রীড়া প্রশাসনে নক্ষত্র পতন!

প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান এই ক্রীড়া প্রশাসক। তারপর দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেই সময় থেকেই ভেন্টিলেশনে ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে, টুটু বসুকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেও খোঁজ নেন বর্ষীয়ান এই ক্রীড়া প্রশাসকের স্বাস্থ্য সম্পর্কে।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু মোহনবাগান ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। ক্লাবেও আসতেন মাঝে মাঝে। সবুজ মেরুনকে হৃদয়ে রেখেই এবার তিনি পাড়ি দিলেন তারাদের দেশে। উল্লেখ্য, ১৯৯১-১৯৯৫ সাল পর্যন্ত, টুটু বসু মোহনবাগান সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৮ সাল পর্যন্ত, তিনি ছিলেন ক্লাব সভাপতি। সেই বছরই আবার সচিব হিসেবে নির্বাচিত হন টুটু বসু।

প্রয়াত ময়দান ফুটবলের অন্যতম কর্তা টুটু বসু

তারপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দুটি দফায় ফের তিনি সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। তবে গত বছর, মোহনবাগানের নির্বাচন হওয়ার আগে তিনি সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, টুটু বসুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একাধিক ইতিহাস তৈরি হয়। তাঁর হাত ধরেই মোহনবাগানে প্রথম বিদেশি ফুটবলার সই হয় বাগান শিবিরে। খেলেন চিমা ওকেরি। 

তাছাড়া শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সবুজ মেরুনে বিনিয়োগও টুটুবাবুর হাত ধরেই। সবসময় তিনি মোহনবাগানকে সেরার জায়গায় বসাতে চেয়েছিলেন। সর্বদা পালতোলা নৌকার স্বার্থেই কাজ করে গেছেন তিনি। তবে বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন টুটু বসু। হুইলচেয়ার ছাড়া একদমই চলাফেরা করতে পারতেন না। গত বছর মোহনবাগান দিবসের দিনই ‘মোহনবাগান রত্ন' সম্মানে ভূষিত হন তিনি। আর ২০২৬ সালের ১৩ মে, চলে গেলেন ময়দান ফুটবলের অন্যতম কর্তা টুটু বসু। 

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।