সোমবারই নোটিশ জারি করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন  জানিয়েছে ভারতকে মিসাইল আর টর্পেডো বিক্রির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এয়ার লঞ্চার হারপুন ব্লক টু মিসাইলের পাশাপাশই লাইটওয়েট টর্পেডোও বিক্রি করা হবে ভারতকে। মার্কিন হিসেব অনুযায়ী লেনদের আর্থিক পরিমান ১৫৫ মিলিয়ন ডলার। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর হারপুন ব্লক ওয়ার লঞ্চারের দাম প্রায় ৯২ মিলিয়ার মার্কিন ডলার। আর লাইট ওয়েট টর্পেডোর দাম ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুই অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রির জন্য পৃথক নোটিশও জারি করা হয়েছে। 

পেন্টাগনের তরফ থেকে জানান হয়েছে দুই  শুধু অস্ত্রই বিক্রি করা হবে না। পাশাপাশি বিক্রি করা হবে অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তিও। আগামী দিনে ভারত ওই দুটি অস্ত্র যাতে নিজেরা তৈরি করতে পারে তার জন্য সবরকম সহযোগিতাও করা হবে। ওই বিজ্ঞপ্তিতেই জানান হয়েছে হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি হয়েছে বোয়িং কোম্পানিতে। আর টর্পেডো সরবরাহকারী সংস্থা হয় রাইথিয়ন। 

ভারত তার সীমানা সুরক্ষিত রাখতে ও দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইছে। তাই পি এইটআই বিমানে লাইট ওয়েট টর্পেডো ব্যবহার করতে চাইছে। উভয় বিজ্ঞপ্তিতেই জানান হয়েছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব আর সহয়তা প্রক্রিয়া মৌলিক সামরিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করবে না। 


আরও পড়ুনঃ'ডেনমার্কের রাজকুমার ছাড়াই হ্যামলেট', ত্রাণের জন্য সওয়াল করে লকডাউন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা কংগ..
আরও পড়ুনঃ জরুরী পণ্য পরিষেবা চালু রাখতে রো-রো সার্ভিস , ভিডিও ট্যুইট করে জানালেন রেলমন্ত্রী.
আরও পড়ুনঃ ২৪-এর সাধারণ নির্বাচন বাতিলের আর্জি, আর্থিক সংকট থেকে দেশকে বাঁচাতে মোদীর ওপর ভরসা রঙ্গোলীর.
করোনাভাইরাসের ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। উল্কা গতিতে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমত নাজেহাল মার্কিন প্রশাসন। এই অবস্থায় ভারতের কাছে হাত পাততে হয়েছিল ওষুধের জন্য। প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও পরে রীতিমত হুমকির সুরেই ভারতের কাছ থেকে হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট চান ট্রাম্প। ওযুধ না পাওয়া গেলে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেন তিনি। তারপরই ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়। রবিবারই মার্কিন মুকুলে গিয়ে পৌঁছায় হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন। কাকতালীয় হলেও সোমবারই ভারতকে অস্ত্র বিক্রিতে সম্মতির নোটিশ জারি করে ট্রাম্প প্রশাসন।