করোনা সংক্রমণ নিয়ে প্রথম থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশানা করে এসেছেন চিনকে। প্রথম দিকে চায়না ভাইরাস বলেও কটাক্ষ করতেন। এবার আরও একধাপ গিয়ে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত সাংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন আগামী দিনে চিনের সঙ্গে আর কোনও রকম সম্পর্ক রাখবেন না ।সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করতে চলেছেন তিনি। চিনের প্রেসিডেন্ট সি জিংপিং-এর সঙ্গেও আর কথা বলবেন না বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। 

ট্রাম্পের কথায় চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ব্যর্থ হয়েছেন সি। করোনা নিয়ে চিনের ভূমিকাই তাঁকে রীতিমত হতাশ করেছে। তাই সি-র সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করতে নারাজ।  গত জানুয়ারি যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছিল তা তা থেকেও বেরিয়ে আসতে বদ্ধ পরিকর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। চিনকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনই সি-র সঙ্গে কথা বলার আর কিছুই নেই। তাঁদের ভূমিকাতেই ম্লান হয়েগেছে জানুয়ারির বাণিজ্য চুক্তি। 


এই চুক্তির ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিন থেকে বছরে ৫০০ বিনিয়ন ডলার কথা ছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পর সেই রাস্তা কতটা সুগম হবে তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ওয়াশিংটনের সেট্নার ফর স্ট্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশানাল স্টাডিজের স্কট কেনেডি মনে করেন ট্রাম্প এই মন্তব্য অত্যান্ত বিপজ্জনক। সম্পর্ক ছিন্ন করা কখনই কোনও সংকটের সমাধান হতে পারে না। জানুয়ারির এই বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ অনুযায়ী চিন আগামী ২ বছর ২০০ বিলিয়ন ডরাল মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই মত বেশকিছু পণ্যের আমদানিও শুরু করেছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রয় সবকিছুই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা সংকট রুখতে অন্নদাতাদের পাশে কেন্দ্র, ৩০ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত জরুরী ঋণ প্রদান ...

আরও পড়ুনঃ মোদীর 'দো গজ দুরি'কে ধুলোয় মিশিয়ে দিল শিবরাজের মধ্য প্রদেশ, স্বাগত জানাল সাধুকে ...

আরও পড়ুনঃ প্রবাসী শ্রমিক নিয়ে মুখ খুললেন নির্মলা, বিনামূল্যে রেশন থেকে ভাড়া বাড়ি ঘোষণা একগুচ্ছ প্রকল্পের ..

পাশাপাশি করোনা সংক্রমণও রীতিমত থাকা বসিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৯৩। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৮৬ হাজার ৯১২ জনের।