রেল স্টেশনে লোকজন ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ দূর থেকে কেউ একজন চিৎকার করে উঠল, "ওই... কুমির!" তাদের দৃষ্টি রেললাইনের দিকে গেল। সেখানে একটি ৫ ফুট লম্বা কুমিরকে অলসভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল। কিছু লোক ভয়ে পিছিয়ে গেল, আর অন্যরা সঙ্গে সঙ্গে তাদের মোবাইল ফোন বের করে এর ভিডিও করতে শুরু করল।

রেল স্টেশনে লোকজন ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। হঠাৎ দূর থেকে কেউ একজন চিৎকার করে উঠল, "ওই... কুমির!" তাদের দৃষ্টি রেললাইনের দিকে গেল। সেখানে একটি ৫ ফুট লম্বা কুমিরকে অলসভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেল। কিছু লোক ভয়ে পিছিয়ে গেল, আর অন্যরা সঙ্গে সঙ্গে তাদের মোবাইল ফোন বের করে এর ভিডিও করতে শুরু করল। ভিডিওটি দ্রুত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের কোটার সোগারিয়া রেল স্টেশনে, যেখানে অবিরাম বৃষ্টির মধ্যে একটি কুমির স্টেশন চত্বরে পৌঁছে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কুমিরটি স্টেশনের কাছের একটি নর্দমা থেকে বেরিয়ে আসে এবং রাস্তা পার হয়ে রেললাইনের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে শুরু করে। কিছুক্ষণ এটি স্টেশন চত্বরে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়ায়, যা যাত্রী ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। খবর পাওয়ার পর উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়, কিন্তু দলটি এটিকে ধরার আগেই কুমিরটি নিজে থেকেই নর্দমায় ফিরে যায়। স্টেশনের কাছের বাসিন্দারা বলছেন যে, গত দুই-তিন দিন ধরে এই কুমিরটিকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে। কখনও এটি রেললাইনের কাছে, কখনও প্ল্যাটফর্মের আশেপাশে, আবার কখনও স্টেশন রোডে চলে আসে। একটানা বৃষ্টির কারণে নর্দমা ও পুকুরে জলের স্তর বেড়ে গেছে। ফলে বন্যপ্রাণীরা তাদের স্বাভাবিক বাসস্থান ছেড়ে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় চলে আসছে।

Scroll to load tweet…

শুধু কুমিরই নয়, গোখরো এবং অজগরও...

আজকাল কোটায় শুধু কুমির নয়, অন্যান্য বন্যপ্রাণীও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে শহরের বিভিন্ন অংশে গোখরো, অজগর এবং বিছেরও দেখা পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মানে হল যে বর্ষাকালে কোটার মানুষকে শুধু জলাবদ্ধতা নিয়েই নয়, বন্যপ্রাণী নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে। বন বিভাগ জনগণকে স্পষ্টভাবে পরামর্শ দিয়েছে যে, যদি তাঁরা কুমির বা অন্য কোনও বন্যপ্রাণী দেখতে পান, তবে তার কাছে যাবেন না। প্রথমত, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন এবং অবিলম্বে বন বিভাগ বা প্রশাসনকে জানান যাতে উদ্ধার অভিযান চালানো যায়। বর্তমানে, কোটার সোগারিয়া রেল স্টেশনের এই ভিডিওটি নিঃসন্দেহে মানুষকে হতবাক করছে, কিন্তু একই সঙ্গে এটি তাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে বর্ষা কেবল স্বস্তিই নিয়ে আসে না, বরং নতুন চ্যালেঞ্জও নিয়ে আসে।