Viral Video: উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলায় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার জন্যই ৯ কিলোমিটার রাস্তা দণ্ডীকেটে উদযাপন করলেন এক ব্যক্তি। আর সেই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। 

সম্পূর্ণ অন্য ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশে। মানুষ যখন প্রেম বা বিয়ের জন্য মানত করে তখন উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলায় বিয়ে ভেঙে যাওয়ার জন্যই ৯ কিলোমিটার রাস্তা দণ্ডীকেটে উদযাপন করলেন এক ব্যক্তি। আর সেই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যোগেশ নামের ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, বিবাহ তাঁর কাছে এত তিক্ত একটা অভিজ্ঞতা ছিল যে তিনি মানত করেছিলেন বিচ্ছেদ মঞ্জুর হলে তিনি দণ্ডী কাটবেন। তার গ্রাম থেকে শুরু হয়ে শ্রদ্ধেয় সিদ্ধ পীঠ বৈরওয়া সময় মাতা মন্দিরে সমাপ্ত হওয়া এই যাত্রাটি ছিল যোগেশের ব্যক্তিগত জীবনের এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক সময়ে নেওয়া একটি ব্রতের অংশ।

যোগেশ বলেছেন, তিনি ২০২২ সালে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে তিনি কোনও দিন শান্তি পানননি। সম্পর্ক এতটাই তিক্ত ছিল যে দাম্পত্য় কলহ ছিল দম্পতি নিত্যদিনের ঘটনা। সেই সময়ই তিনি মন্দিরে মানত করেন যে বিবাহবিচ্ছেদ হলে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তিনি দণ্ডী কাটবেন। ২০২৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর হয়। আর এখন তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পালন করছেন।

দেখুন সেই ভিডিও-

Scroll to load tweet…

এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এশিয়ানেট নিউজ বাংলা।

হেট ডিক্টেটর নামের একটি এক্স হ্যান্ডেল যোগেশের দণ্ডী কাটার ভিডিও আপলোড করেছে। একই সঙ্গে বলেছে, বর্তমানে বিবাহবিচ্ছেদ একটি ট্রেন্ড। নবরাত্রির পবিত্র ও শুভ উপলক্ষটিকে কাজে লাগিয়ে, সদ্য বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া ওই যুবক তার অশান্ত দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি চিহ্নিত করতে স্থানীয় একটি মন্দিরে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ 'দণ্ডবৎ যাত্রা' সম্পন্ন করেন।

বিবাহবিচ্ছেদের কারণ

নারখোরিয়ার বাসিন্দা যোগেশ দিল্লিতে প্ল্যাস্টার অফ প্য়ারিস ইন্টেরিয়ার ডিজাইন সেক্টরে কাজ করেন। তিনি জানান বিয়ের পর তিনি তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কম আয় আর অনিয়মিত কাজের সময়ের নিয়ে বারবার দাম্পত্য কলহে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি বিবাহিত জীবনের দিনগুলি খুবই কষ্টের ছিল বলে জানিয়েছেন।

যোগেশ জানিয়েছেন, এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য যোগেশ স্তানীয় প্রশাসনের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। কারণ সংশ্লিষ্ট জেলায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৫ ধারা অর্থাৎ পূর্বের ১৪৪ ধারা বলবৎ ছিল। জেলা শাসক প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্য়বস্থা করে যাত্রার অনুমতি দেন।