ভোট সন্ত্রাসে ক্রমশই উত্তপ্ত হচ্ছে মালদা। পরপর দুদিন জেলার তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। যদিও দুই দলই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। শুরু হয়েছে পাল্টা দোষারোপের পালা। 

 বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুনের চেষ্টার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার বিকালে ঘটনাটি ঘটেছে মোথাবাড়ি থানার চন্ডিপুর এলাকায়। গুরুতর জখম ওই বিজেপি কর্মীর উদয় মন্ডল (৪৩)।  তার বাম পায়ে গুলি লেগেছে। তাকে চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ওই বিজেপি কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা। মোথাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচটি বুথের নির্বাচনী দায়িত্বে ছিলেন উদয়বাবু। এই ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে । যদিও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

মুখ বন্ধ করতেই মমতার ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নন্দীগ্রামের ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে তৃণমূল ...

Election Live Update- নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে প্ল্যাস্টার, দোষারোপের রাজনীতি...

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছে বিকেলে ছবি বিজেপি নেতা উদয় মণ্ডল নিজের ভূট্টার ক্ষেত দেখতে গিয়েছিলেন। সেইসময় সেই সময় তৃণমূল কর্মী ছবিলাল মন্ডল কুড়ি জন দুষ্কৃতী নিয়ে ভাইয়ের উপর হামলা চালায়। তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। তাতেই গুলিবিদ্ধ হন আমার ভাই। তাকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। পুরো ঘটনাটি নিয়ে ছবিলাল মন্ডল ও তার দলবলের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিকে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দ্র চন্দ্র মন্ডল। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল । তাঁরা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মোথাবাড়ি কেন্দ্রের তৃণমূল নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন , বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে  এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। 

অন্যদিকে তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।  মালদার গাজোল থানার আলাল ফতেপুর এলাকার ঘটনা। আহত তৃণমূল কর্মী বিফল মন্ডল মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার তদন্তে নেমেছে গাজোল থানার পুলিশ।