মুখোমুখি তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মিছিলআহত বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মাইতিবিজেপি কর্মীদের উপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জরণক্ষেত্রের চেহারা নিল ভগবানপুর

মুখোমুখি তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মিছিল, আর তারপরই প্রায় রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ব্লক-২-এর জুখিয়া বাজার এলাকা। ভগবানপুর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মাইতি-সহ বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ বিজেপির মিছিল থেকেই তাদের উপর হামলা করা হয়েছে। এই অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের টানাপোড়েনে নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে উত্তপ্ত ভগবানপুর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সোমবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অর্ধেন্দুশেখর মাইতির সমর্থনে একটি মিছিল বের করা হয়েছিল। জুখিয়া বাজার এলাকায় তৃণমূলের সেই মিছিল মুখোমুখি হয় উল্টোদিক থেকে আসা বিজেপির একটি মিছিলের। সেই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মাইতি-ও। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, প্রথমে তৃণমূলের পক্ষ থেকেই তাদের মিছিল আটকানো হয়েছিল। প্রথমে বচসা, তারপর তা থেকে শুরু হয় হাতাহাতি। বিজেপির প্রার্থীর অভিযোগ তাঁরও গায়ে হাত তোলা হয়েছে, ভেঙে দেওয়া হয়েছে তাঁর চশমা।

তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ, বিজেপির কর্মী সমর্থকরাই তাদের মিছিল লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছুঁড়েছিল। তাতেই দলের কর্মীরা খেপে যান। বস্তুত, এদিন ওই এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী অর্ধেন্দুশেখর মাইতির সমর্থনে একটি সভা ছিল। সেখানে বক্তব্য রাখার কথা ছিল তৃণমূল সাংসদ তথা টলি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও। বিজেপির অভিযোগ, সভা করার অনুমতি থাকলেও, মিছিলের অনুমতি ছিল না ঘাসফুল শিবিরের। তৃণমূল প্রার্থী অর্ধেন্দুশেখর মাইতির অবশ্য দাবি, মিছিলের কর্মসূচিও পূর্ব ঘোষিত ছিল। অনুমতি না থাকার অভিযোগ সঠিক নয়।

এদিকে, প্রার্থীকে নিগ্রহ করার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। দীর্ঘসময় সময় যানবাহন থমকে গিয়ে বিপদে পড়েন সাধারণ মানুষ। এরমধ্যে, গন্ডোগোলের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। দুই পক্ষের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পাথরের আঘাতে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। দুইপক্ষের তিন-চারজনও গুরুতর আহত হয়েছেন। এরপরই মৃদু লাঠিচার্জ করে বিজেপি কর্মীদের ওই এলাকা থেকে সরিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই নিয়ে ভোটের আগে আবহাওয়া গরম পূর্ব মেদিনীপুরে।