ভরসন্ধেবেলা এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাজার করতে গিয়ে খুন সিভিক ভলান্টিয়ার আতঙ্ক ছড়াল ঝাড়খণ্ড লাগোয়া পুরুলিয়ার গ্রামে তদন্তে নেমেছে পুলিশ  

বুদ্ধদেব পাত্র, পুরুলিয়া: সাধারণ মানুষ তাহলে যাবে কোথায়! ভরসন্ধেবেলা হাটের মাঝে ধারালো অস্ত্রের কোপে সিভিক ভলান্টিয়ারকে খুন করে চম্পট দিল এক দুষ্কৃতী। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে পুরুলিয়ার ঝালদায়। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: লোকালয় থেকে দুই কিলোমিটার দূরে মহিলার বিবস্ত্র মৃতদেহ উদ্ধার, খুনের অভিযোগে আটক স্বামী

মৃতের নাম অঙ্গদ কুমার মাহাতো। বাড়ি, ঝালদা থানার কেন্দুয়াডি গ্রামে। স্থানীয় তুলিন গ্রামের ফাঁড়িতে সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্য়ায় এই তুলিন গ্রামেই সাপ্তাহিক বাজারে যান অঙ্গদ। যখন কেনাকাটা করছিলেন, তখন আচমকাই পিছন থেকে মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ মারে এক ব্যক্তি। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার। কে এমন কাণ্ড ঘটাল? হামলাকারীর পিছনে ধাওয়া করেছিলেন আশেপাশের লোকজন ও কর্তব্যরত অন্য এক সিভিক ভলান্টিয়ার। কিন্তু তার আর নাগাল পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশের ঘটনার প্রতিবাদ কলকাতায়, মহিলাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে গঠন হল 'দুর্গা সেনা' দল

এদিকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই সিভিক ভলান্টিয়াকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডের একটি হাসপাতালে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পরে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় রাঁচি মেডিক্য়াল কলেজে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান অঙ্গদ কুমার মাহাতো। তাঁর মৃত্যুর খবরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। পুরুলিয়ার ঝালদার তুলিন গ্রামটি একেবারেই ঝাড়খণ্ড লাগোয়া। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ঘটনার পর চোখের নিমেষে হামলাকারী জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। এত জোরে আঘাত করা হয়েছিল যে, মাথায় ধারালো অস্ত্রটি গেঁথে দিয়েছিল। কিন্তু কেন সিভিক ভলান্টিয়ারের উপর এমন নৃশংস হামলা? তা ধন্দে সকলেই। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।