সমুদ্রের উত্তাল জলরাশি বয়ে আনছে বিপদের বার্তা। জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে বাঁধ। আমফান আতঙ্কের প্রহর গুনছে দিঘা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তৎপরতা তুঙ্গে।

আরও পড়ুন: প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে আমফান, কেন্দ্র সতর্ক করল বাংলা ও ওড়িশাকে

করোনা আতঙ্কে লকডাউন চলছে দেশজুড়ে। ঘরবন্দি থাকলে সংক্রমণ হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। কিন্তু ঘুর্ণিঝড়কে  রুখবে কে! আমফানের দাপটে সবকিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে না তো? আশঙ্কা বাড়ছে ক্রমশই। মঙ্গলবার ফের এক দফা সতর্কবার্তা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। জানানো হয়েছে, বিপদসীমায় থাকা জেলাগুলিতে বুধবার সকাল থেকে মাঝারি ও  ভারী বৃষ্টি শুরু হবে। বাদ যাবে না কলকাতাও। সুন্দরবন-সহ রাজ্যে উপকূলবর্তী এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালাবে আমফান।

আরও পড়ুন: বুধবার দিনভর থাকতে হবে সতর্ক, ঠিক কত দূরে এখন আমফান, জানাল আবহাওয়া দফতর

মঙ্গলবার ভোর থেকে ফুঁসছে দীঘার সমুদ্র। একে এক ঢেউ আছড় পড়ছে উপকূলে। তবে আকাশ মেঘলা থাকলেও, সকাল কিন্তু বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টি নামল বিকেলে, সঙ্গে ঝোড়ো বাতাস। এরপর সময় যত গড়াচ্ছে, সমুদ্রের স্রোত ততই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, আমফান আছড়ে পড়ার আগে ২ থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে দীঘায় উপকূলে। আর ঝড় আছড়ে পড়ার পর, পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতিতে কোনও খামতি নেই। দীঘায় পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্য়য় মোকাবিলা দলের সদস্যরা। সকালে মাইকিং করে সাধারণ মানুষ সতর্ক করা হচ্ছিল। বিকেলে শরণার্থীদের নিয়ে চলে আসা আয়লা সেন্টারে।  সৈকত শহরে জারি করা হয়েছে চরম সতর্কতা।