Hakimpur border: হাকিমপুর সীমান্তে বাংলাদেশিদের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে। দেশে ফেরার আশায় সীমান্ত এলাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ।সীমান্তে বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করেছে প্রশাসন, পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বিএসএফ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। 

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকারের "ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট" (Detect, Delete and Deport) নীতি কার্যকর করা এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের জন্য 'হোল্ডিং সেন্টার' তৈরির ঘোষণার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক কড়া ব্যবস্থা থেকে বাঁচতে অনেকেই স্বেচ্ছায় সীমান্ত চেকপোস্টে এসে জড়ো হচ্ছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশের পর অবৈব বসবাসকারী বাংলাদেশীরা দেশে ফেরার হিড়িক জমেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যত দিন যাচ্ছে ততই ছবি পাল্টাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে। সেখানে বর্তমানে প্রচুর বাংলাদেশি ভিড় জমিয়েছে দেশে ফেরার অপেক্ষায়। ইতিমধ্যে করা নির্দেশের পর আড়াইশো জনকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে । কারণ বিএসএফ ও জেলা প্রশাসন একদিকে তথ্য যাচাই তাদের নাম সঠিক আছে কিনা বাংলাদেশে এক নাম ভারতে আরেক নাম এরামও সমস্যা দেখা দিয়েছে এছাড়াও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা তারা কিভাবে পেতো সেটাও তারা বলছেন এই সব বাংলাদেশীরা কেউ দু'বছর তিন বছর কেউ ৫ বছরে এমন কি দশ বছর আগে উত্তর চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন সীমান্ত থেকে কখনো জলপথে স্থলপথে দালাল মারফত মোটা অর্থ দিয়ে এদেশে ঢুকেছে ।

রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা নিয়েছেন যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এদেশের নাগরিকদের হক বঞ্চিত করে তারা এই সুযোগ সুবিধা নিয়েছে এবারই চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে উপযুক্ত নথিপত্র যাচাই করে বিজেপির সঙ্গে বিএসএফের বৈঠকের পর তাদেরকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে এখনো পর্যন্ত তাদেরকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে সেখানে যেমন একদিকে স্বাস্থ্য অন্যদিকে খাবার নিরাপত্তা সবটাই আন্তর্জাতিক আইন মেনে সেগুলো করা হচ্ছে যাতে দেশে ফেরার আগে কেউ অসুস্থ বা নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে।

তবে স্থানীয় সূত্রে যা জানা যাচ্ছে তা হল এবার অনুপ্রবেশকারীদের ফেরানোর পদ্ধতি পুরোপুরি বদলে গিয়েছে। আগে যারা ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরে যাচ্ছিল তাদের সীমান্ত পার করানোর পুরো প্রক্রিয়া বিএসএফ-এর হাত দিয়েই হচ্ছিল। তখন হাকিমপুর চেকপোস্টের বাইরে অনুপ্রবেশকারীদের ভিড় ছিল। তাদের বাংলাদেশী নথি পরীক্ষা করে নাম নথিভুক্ত করে একসঙ্গে ১০০জনকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল সীমান্ত নিকটবর্তী বিএসএফ ক্যাম্পে। সেকানেই তাদের বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছিল।

এবারের পদ্ধতি

হাকিমপুর সীমান্তে যাঁরা ভিড় করেছেন, তাঁদের অনেকেরই প্রশ্ন, বিএসএফ চেকপোস্টে নাম নথিভুক্ত করার পরে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে? এ বার আর সরাসরি সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না শুনে তাঁদের আশঙ্কা, তবে কি গ্রেফতার করবে? অনুপ্রবেশকারীরাই জানিয়ছেন, এবার তাদের প্রথমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে। সেখানে খাওয়াথাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের সেখানে রেখে তাদের নথি পরীক্ষা করা হচ্ছে। তারপরই তাদের বাংলাদেশ প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।