Arup Chakraborty resigns: তৃণমূল কংগ্রেসে রীতিমত বিদ্রোহী আরূপ। দিন কয়েক আগে পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির সমালোচনায় সরব ছিলেন। এবার কিছুটা সুর বদল করেছেন অরূপ। তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। 

তৃণমূল কংগ্রেসে ভাঙন অব্যাহত. বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর থেকেই দলের একাধিক নেতা-নেত্রীরা ইস্তফাপত্র পাঠাচ্ছেন কালীঘাটের ঠিকানায়। এবার সেই তালিকায় আরও একটি নাম যুক্ত হল। বুধবারই কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরের পদ তেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তখনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অরূপ চক্রবর্তী। বর্তমানে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রিয় মুখপাত্রদের একজন। তাঁর নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেলও রয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অরূপের পদত্যাগ

তৃণমূল কংগ্রেসে রীতিমত বিদ্রোহী আরূপ। দিন কয়েক আগে পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির সমালোচনায় সরব ছিলেন। এবার কিছুটা সুর বদল করেছেন অরূপ। তিনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, দলের খারাপ ও ভালো দুই সময়ই তিনি মুখপাত্র ছিলেন। দল তাঁর ওপর আস্থা রাখায় তিনি সম্মানিত। তিনি আরও বলেছেন, দলের নীতি , আদর্শ আর দৃষ্টিভঙ্গির মর্যাদা রেখে মুখপাত্র হিসেবে দলের কথা তুলে ধরেছেন। এই মুহূর্তে তিনি ব্যক্তিগত কারণেই দলীয় মুখপাত্রের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন।

অরূপ-বাণী

অরূপ চক্রবর্তী একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, দলে একাধিক রোগ রয়েছে। কিন্তু সেই রোগ সারাতে দেয়নি দলের কম্পাউন্ডাররা। তিনি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের কথা। চিনি বলেন, 'আমি তো এখানে আসার সময়েই দেখে এলাম চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার পেরিয়ে এলাম। কিন্তু মেট্রো রেলের কাজটা আমাদের সরকার আটকে রেখেছিল। সুপ্রিম কোর্ট গিয়েছিল। আমিও সে সময়ে যুক্তি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেই যুক্তি আমার কাছেও সে সময়ে বিশ্বাসযোগ্য লাগেনি। অথচ কাজটা ৫ দিনে হয়ে গেল। তাহলে কারা? আসলে ডাক্তারবাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কোন কম্পাউন্ডাররা এই বুদ্ধিটা দিয়েছিলেন, কাজটা আটকে রাখতে হবে? কী ইন্টারেস্ট ছিল? আজকে দল সাফার করছে এই কম্পাউন্ডারগুলোর জন্যই। আজকে তো বোঝা যাচ্ছে, এই কম্পাউন্ডাররাই মিস লিড করেছে পার্টিটাকে। যাঁরা দলটাকে ড্যামেজ করে গিয়েছে, তাঁরা চুপ করে পিছনের দরজা দিয়ে পালাচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, তৃণমূল ধীরে ধীরে মানুষের কাছ থেকে সরে গিয়েছিল। তিনি সরাসরি নিশানা করেন মমতা-ঘনিষ্ঠদের। তিনি বলেন, 'এরজন্য দায়ী ডাক্তার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেম্বারের বাইরে থাকা কম্পাউন্ডাররাই। '