গিয়েছিলেন তৃণমূলের পৌরসভার অনিয়মের বিরুদ্ধে ডেপুটেশন দিতে। কিন্তু চোটপাট তো দূর ,উল্টে বেরিয়ে এলেন দিদিকে বলোর কার্ড হাতে। কী এমন ঘটল, যে চা বিস্কুট খেয়ে রণে ভঙ্গ দিলেন বিজেপির লোকজন ?

একেবারে মুন্নাভাইয়ের আদলে গান্ধিগিরি। অভিযোগ শুনে চিৎকার চেচামিচি নয়। উল্টে বিরোধীদের চা বিস্কুট খাইয়ে গোলাপ হাতে বিদায় জানালেন তৃণমূলের পৌরসভার চেয়ারম্যান। বিদায়বেলায় অবশ্য খালি হাতে ফেরাননি বিরোধীদের। সমস্য়ার সমাধানে দিয়েছেন দিদিকে বলোর কার্ড। সঙ্গে পরামর্শ,কোনও ধরনের সমস্যা দেখলেই এই নম্বরে ফোন করুন। অবশ্যই সমাধান মিলবে।  রিষড়া পৌরসভার চেয়ারম্যান বিজয়সাগর মিশ্রের এই আতিথেয়তায় চমকে গিয়েছেন শ্রীরামপুর বিজেপির নেতা কর্মীরা। 

চোর খুঁজতে গিয়ে খাটের তলায় উদ্ধার গৃহবধূর প্রেমিক, সোনারপুরে শ্রীঘরে দু' জনেই

'এমন ছেলে যেন কারো না হয়', আদালতের নির্দেশে বাড়ি ফিরে বলছেন মা

ঘটনার আকস্মিকতায় বাকরুদ্ধ হয়েছেন খোদ বিজেপির লোকজন। জানা গেছে, বুধবার দুপুরে বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শ্যামল বসুর নেতৃত্বে ৭ জনের একটি প্রতিনিধিদল রিষড়া পৌরসভায় যায় । পৌরসভায় পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগে ১৪ দফা দাবি পেশ করেন তাঁরা।  ডেপুটেশন দেওয়া হয় চেয়ারম্যান বিজয় সাগর মিশ্রকে। বিধবা ভাতা , বার্ধক্য ভাতা , প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় স্বজনপোষণের অভিযোগে চেয়ারম্যানকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। কিন্তু বিজয়সাগর মিশ্র তাঁদের জানিয়ে দেন,তাঁরা খুব স্বচ্ছতার সঙ্গে মিউনিসিপ্যালিটি চালান। এরপরও তাঁদের কোনও অভিযোগ থাকলে আপনারা দিদিকে জানান । আমাদের দিদি দেশের সেরা মুখ্যমন্ত্রী । এই বলে তিনি সবাইকে গোলাপ ফুল আর ' দিদি কে বলো' ভিজিটিং কার্ড দিতে শুরু করেন । কয়েক জন প্রতিনিধি সেই কার্ড নিতে অস্বীকার করলেও কেউ কেউ তা গ্রহণ করেন । যদিও এই ব্যাপারে বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসুর দাবি ,তিনি সেই কার্ড নেননি । কারণ তাঁর মতে দিদিকে বলে কোনও লাভ নেই । তাঁরা এই রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না । প্রায় ৪০ মিনিট চেয়ারম্যানের ঘরে আলোচনা করে চলে যান তাঁরা। সঙ্গে অবশ্যই গোলাপ ফুল আর দিদিকে বলোর কার্ড।