মূক, বধির মেয়ের কাছ থেকে তথ্য পাওয়াটাই ছিল কঠিন কাজ। কিন্তু অভিযুক্তকে ধরিয়ে দিল মুদিখানার ফর্দ। কী করে তদন্তে সাফল্য পেল পুলিশ ?

ফাঁকা ঘরে একা মেয়েকে রেখে যাওয়াই কাল হল মায়ের। উল্টে মেয়ে মূক ,বধির হওয়ায় বিড়ম্বনা বাড়ল আরও। তবুও বুঝতে অসুবিধা হল না, মেয়ের সঙ্গে কিছু একটা হয়েছে। ডানকুনির নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ,ভাড়াটে বাসচালক ধর্ষণ করেছে তাঁর মেয়েকে। মেয়ের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সুযোগ নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে।

পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে নির্মম মার, আসানসোলে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের

নিমেষে উধাও বিনামূল্যের কন্ডোম, শিলিগুড়ির হাসপাতালে ফাঁকাই পড়ে বাক্স

নির্যাতিতার মায়ের দাবি, ওই বাড়িতেই সস্ত্রীক ভাড়া থাকত অভিযুক্ত সুন্দরবনের বাসিন্দা। কয়েক বছর ধরে  ডানকুনি-গড়িয়া রুটের বাস চালাত সে। মাস চারেক হল স্বামীর সঙ্গে থাকত না স্ত্রী। সোমবার সন্ধেবেলায় বাড়ির কাজে বাইরে যান তিনি। ফিরে এসে দেখেন ভিতর থেকে ঘর বন্ধ। এরপরই সন্দেহ হয় তাঁর। প্রতিবেশীদের ডাকতেই ঘরের আলো নিভিয়ে ছাদ দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। পরে বিছানায় মেলে মুদি দোকানের ফর্দ। এই সূত্র ধরেই অভিযুক্তের কিনাড়া করে পুলিশ। পাড়ার দোকানে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়,সেই ফর্দ অভিযুক্তের। এমনকী সেখানে তাঁর নামও লেখা রয়েছে। এরপর আর দেরি করেনি পুলিশ। মুদি দোকানের ফর্দ ধরে জেরা করা হয় ভাড়াটিয়া বাসচালককে। জেরায় সেই ফর্দ সমীরের তা জানতে পারে পুলিশ। তারপরেই বাসচলককে আটক করা হয়। বুধবার রাতে ডানকুনি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে শ্রীরামপুর আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপির মিছিল, ধুন্ধুমার ধর্মতলা

বাড়ি ভাড়া নিয়ে মধুচক্রের কারবার দম্পতির, সোনারপুরে পর্দাফাঁস

এলাকাবাসীদের মতে,মেয়ের অভিযুক্তকে ধরতে দুঁদে গোয়েন্দাদের মতোই কাজ করেছেন মেয়ের মা। ঠান্ডা মাথায় ঘরের সব প্রমাণ তুলে দিয়েছেন পুলিসের হাতে। আখেরে যা অভিযুক্ত পর্যন্ত পৌঁছতে সাহায্য় করেছে পুলিশকে। হাতে হাতকড়া পড়েছে অভিযুক্তের।