DA Case Supreme Court: বৃহস্পতিবার, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ মোট ১১ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা দিতে হবে। চারটি কিস্তিতে সেই টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

DA Case Supreme Court: রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে নিঃসন্দেহে বড় খবর। সরকার বদলানোর পর অনেকেই ভেবেছিলেন, এবার হয়ত পুরো ডিএ পাওয়া যাবে। কিন্তু সেটা হচ্ছে না আপাতত। বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ১০০% নয়! ৮৫% ডিএ মেটাতে চায় রাজ্য সরকার (DA Case Supreme Court)। সূত্রের খবর, স্ট্যাটাস রিপোর্ট মারফৎ সুপ্রিম কোর্টে তেমনটাই জানানো হয়েছে। বাকি ১৫ শতাংশের জন্য ছাড় চাওয়া হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে (DA Case Latest News)। 

১০০ নয়! ৮৫% ডিএ মেটাতে চায় রাজ্য সরকার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই মামলায় জানিয়েছে, মোট চারটি কিস্তিতে ২০২৮ সালের মধ্যে বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তবে পুরো ১০০% মেটানো সম্ভব নয়! কারণ, রাজ্যের উপর বিপুল আর্থিক বোঝা রয়েছে। এমনটাই সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ-র ১০০ শতাংশই মিটিয়ে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তারই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। বুধবার, সেই রিপোর্ট পাঠানো হয় সরকারের তরফে। তখনই জানা যায়, বকেয়া ডিএ মেটানোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় চাইছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার, সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি রয়েছে। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ মোট ১১ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা দিতে হবে। চারটি কিস্তিতে সেই টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথম কিস্তির টাকা ২০২৬ সালের জুলাই মাসে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে রাজ্য। প্রথম কিস্তিতেই বকেয়া ডিএ-র ৭ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবার বাকি টাকাও ধাপে ধাপে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে, তৃতীয় কিস্তির টাকা জুলাই মাসে এবং চতুর্থ কিস্তির টাকা দেওয়া হবে ২০২৮ সালের জানুয়ারি মাসে। 

কবে আসবে টাকা? বিরাট আপডেট

২০০৮-২০১৫ এবং ২০১৬-২০১৯ অবধি দুই ভাগে ভাগ করে নিয়ে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার টাকা মেটানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে রাজ্য। তবে এই প্রক্রিয়া বেশ জটিল। কারণ, প্রত্যেক কর্মীর ১৪১ মাসের বকেয়া হিসেব করতে হচ্ছে এবং রাজ্যের অধীনে লক্ষ লক্ষ কর্মী ও পেনশনভোগীরা রয়েছেন। পাশাপাশি ৯০টি ট্রেজারির তথ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে সরকারকে। সেইসঙ্গে, বিভিন্ন দফতরের বেতন কাঠামোও আলাদা। সেই অনুযায়ী, পৃথকভাবে গণনা করতে হচ্ছে এবং সেইজন্যই বকেয়া ডিএ মেটাতে সময় লাগছে। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের আগে কর্মীদের বেতনের ডেটা কম্পিউটারে নথিভুক্ত নেই বলেও দাবি করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। সেই সমস্ত হিসেব পুরোটা খাতায় লেখা রয়েছে। সেগুলিকে এবার ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে হিসেব করতে আরও বেশি সময় লাগছে। সেইজন্য নতুন পোর্টালও খোলা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্য সরকার জানিয়ে দিয়েছে, প্রায় ১ লক্ষ ৩৪ হাজার কর্মী বকেয়া ডিএ পাবেন। সেইজন্য ই-সার্ভিক বুক করতে হচ্ছে। সেই কারণেও বাড়তি কিছুটা সময় লাগছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, সরকারের বিপুল খরচ এবং আর্থিক বোঝার কথা উল্লেখ করে বকেয়া ডিএ মেটানোর ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড়ের আবেদন জানানো হয়েছে। বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ১০০% নয়! ৮৫% ডিএ মেটাতে চায় রাজ্য সরকার (DA Case Supreme Court)। সূত্রের খবর, স্ট্যাটাস রিপোর্ট মারফৎ সুপ্রিম কোর্টে তেমনটাই জানানো হয়েছে। বাকি ১৫ শতাংশের জন্য ছাড় চাওয়া হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে (DA Case Latest News)।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।