পুজোর আগেই ১৭৩ কোটি টাকার প্রকল্প দিঘার মেরিন ড্রাইভের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে এবার আরও সহজ হবে দিঘা থেকে তাজপুর, মন্দারমণি এবং শঙ্করপুর যাওয়া।  

এক সুতোয় বাঁধা পড়ল দিঘা, তাজপুর, মন্দারমণি এবং শঙ্করপুর। নবনির্মিত মেরিন ড্রাইভের সৌজন্যে এবার দিঘায় আরও বাড়ছে পর্যটকদের সংখ্যা। শুধু মেরিন ড্রাইভ নয় দিঘাকে ঢেলে সাজাতে এতটুকু কসুর রাখছে না রাজ্য সরকার। সমুদ্র সৈকতের সঙ্গে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের পাশাপাশি যোগ হয়েছে আরও নানা আকর্ষণ। পর্যটন ব্যবসায়ীদের ধারণা এবছর অন্তত ১৫-২০ শতাংশ বাড়বে দিঘায় পর্যটকদের সংখ্যা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পুজোর আগেই ১৭৩ কোটি টাকার প্রকল্প দিঘার মেরিন ড্রাইভের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৯.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মেরিন ড্রাইভের মাধ্যমে এবার আরও সহজ হবে দিঘা থেকে তাজপুর, মন্দারমণি এবং শঙ্করপুর যাওয়া। 

কলকাতা থেকে কী ভাবে যাবেন? 

কলকাতা থেকে সরাসরি বাসে ১১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে রামনগড়। সেখান থেকে মাত্র ১৪ মাইল নেমে গেলেই পড়বে শঙ্করপুর। আবার মাত্র ৩ কিলোমিটার রাস্তা পেরোলেই পৌঁছে যাওয়া যাবে তাজপুরে। এখান মাত্র চার কিলোমিটারের মধ্যেই পড়বে জলধা সেতু। সেখান থেকে অল্প পথ এগোলেই মন্দারমণি। 

এবার দিঘায় কী কী নতুন আকর্ষণ? 

দিঘায় এবার পর্যটকদের জন্য একাধিক বিশেষ আকর্ষণ থাকছে বলে জানিয়েছে দিঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদ। এই প্রসঙ্গে একাশিক দ্রষ্টব্য স্থানের তালিকাও দিয়েছেন ডিএসডিএ-র এগজ়িকিউটিভ অফিসার মানসকুমার মণ্ডল। তার কথা অনুযায়ী, দিঘার গেট পেরোতেই প্রথমে পড়বে বিশালাকার জলাশয়, যেখানে ভিড় করে পরিযায়ী পাখিরা। সেখান থেকে এগোলেই চম্পা নদীর মোহনা। এইখানে আগামী দিনে ভিউ পয়েন্ট তৈরির কথাও ভাবছে প্রশাসন। এই পথ ধরে আর একটু এগোলেই নায়ে কালী মন্দির। এবছর লেজার শো সহ ঢেলে সাজানো হয়েছে মন্দিরটিকে। 

প্রসঙ্গত, অতিমারির জেরে দু'বছর ধরে তলানিতে ঠেকেছিল পর্যটন ব্যবসার। দিঘা থেকে দার্জিলিং, কোভিডের জেরে সর্বত্রই কমেছিল পর্যটকদের আনাগোনা। দু'বছরের এই ভাটা পুষিয়ে দিয়ে পুজোর মুখে পর্যটকের ঢল নামবে সৈকত শহরে। শুধু দিঘা নয় ভিড়ের সাক্ষী থাকবে শঙ্করপুর, তাজপুর, মন্দারমনিও। ইতিমধ্যেই এই এলাকার প্রায় সব হোটেলেই বুকিং সম্পূর্ণ। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর পর্যটকের ঢল সামাল দিতে হোমস্টের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন - আরও পড়ুন: 'শীঘ্রই শহরে নামছে বেসরকারি বাস', কী বললেন সিন্ডিকেটের সাধারন সম্পাদক

অতিমারি পূর্ববর্তী সময় বছরে ২০-২৫ লক্ষ মানুষ দিঘায় আসতেন। এই বছর সেই সংখ্যা ৩০ লাখে পৌঁছবে বলে আশা করছে প্রশাসন। এই অবস্থায় একদিকে যেমন পর্যটনের ক্ষেত্রে বিপুল লাভের মুখ দেখতে পারে প্রশাসন অপর দিকে এই বিপুল ভিড় সামাল দিতেও বেশ বেগ পেতে হবে প্রশাসনকে। 

আরও পড়ুন: অটো-ট্যাক্সিতেও এবার 'যত সিট তত যাত্রী', স্বাস্থ্য বিধি নিয়ে কড়াকড়ি