লকডাউন শিথিল হতেই  ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে রাজ্য।  কারণ অটো-ট্যাক্সিতেও আগের মতো যাত্রী নেওয়া যাবে। এবার ৪ জন যাত্রী তোলার অনুমতি দিয়েছে মোটর ভেহিকলস অফিস। তবে পরিবহণ দফতর থেকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে ।

আরও পড়ুন, শেষ ১৬ দিনে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক, আনলক আরও বিপদ ডেকে আনবে কি

মুখ্য়মন্ত্রীর নির্দেশে প্রথমে গত কয়েক দিন ২ জন করে যাত্রী নিচ্ছিল অটো-ট্যাক্সি। তারপর মুখ্য়মন্ত্রী যত সিট তত যাত্রী'-র কথা ঘোষনা করেন বাসের ক্ষেত্রে। আর এবার  সেই তালিকায় সংযোজন হল ট্যাক্সি-অটোও। ট্যাক্সি-অটো সংগঠনগুলির দাবি,৪ জন যাত্রী তোলার অনুমতি দিয়েছে মোটর ভেহিকলস অফিস।  ফলে আগামী কাল, বুধবার থেকে কিছুটা হলেও যাত্রীদের দুর্ভোগ কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জলপথে পরিবহণও শুরু হয়েছে কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলির মধ্যে। যাত্রীর সংখ্যাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর মধ্যে সরকারি বাসের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

আরও পড়ুন, নিয়ম ভেঙে বাড়তি যাত্রী নিয়ে বাস বেরল ঠাকুরপুকুরে, ভিডিও তুলতেই সাংবাদিক নিগ্রহ

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, 'এখনই জেলায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। কলকাতায় ধীরে ধীরে বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে ৮ জুনের মধ্যে ১২০০ করা হবে। ইতিমধ্যে কলকাতায় ৬০ শতাংশ বাস নেমে গিয়েছে।' কিন্তু, বাস-মিনিবাস পথে না নামায়  মানুষে দুর্ভোগে পড়েছেন, তা এ দিনও বোঝা গিয়েছে। বেহালা থেকে গড়িয়া, ডানলপ, গড়িয়াহাট— সর্বত্রই নাজেহাল হয়েছেন যাত্রীরা। দীর্ঘ ক্ষণ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তা-ও গাড়ি পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ। তবে দুর্ভোগ বেড়েছে, মেট্রো-লোকাল ট্রেন চালু না হওয়ার কারণে। ফলে পুরো চাপটাই এখন সরকারি বাসের উপর। মঙ্গলবার কলকাতা থেকে প্রায় ৬০০ সরকারি বাস চলছে বিভিন্ন রুটে। সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ১২০০ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন, বজ্রবিদ্যুৎ সহ টানা বৃষ্টিতে ভাসবে দক্ষিণবঙ্গ, ফের পারদ নেমে স্বস্তি ফিরল শহরে

 

 

 কলকাতা মেডিক্যালের ছাদের কার্নিশে বসে করোনা রোগী, সামলাতে গিয়ে নাজেহাল কর্তৃপক্ষ

করোনা মোকাবিলায় বড়সড় উদ্য়োগ, পরিষেবা বাড়াতে ৫০০ ডাক্তার-নার্স নিচ্ছে রাজ্য

দেহ রাখার জায়গা না থাকায় ডিপ ফ্রিজ বসছে মেডিকেলের মর্গে, মৃতদেহ 'ম্যানেজমেন্ট'-এ নিয়োগ অ্যাসিস্ট্যান্ট

কোভিড পজিটিভ হয়ে মৃত্য়ু প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ হরিশঙ্কর বাসুদেবনের