বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে পর পর দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিম। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজি জানিয়েছে, প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩ এবং দ্বিতীয়টির ৩.১, যার উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালেশিং-এ।

মধ্যরাতে কেঁপে উঠল দার্জিলিং-সহ কালিম্পং এলাকা। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পর পর দুবার কম্পন অনুভূত হয়। এর পাশাপাশি ভূমিকম্প হয় সিকিমেও। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। একের পর এক ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ এলাকা। 

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৯ মিনিটে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে তার মাত্রা ছিল ৪.৩। এর মাত্র ৬ মিনিট পর অর্থাৎ রাত ১টা ১৫ মিনিটে ফের কম্পন অনুভত হয়। দ্বিতীয়বারের কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.১। এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজি। জানা গিয়েছে, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং সিকিম নয়। এই কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক অঞ্চলে। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমোলজি জানিয়েছে। এই কম্পনের এপিসেন্টার ছিল সিকিমের গ্য়ালশিং-এ। দুটি কম্পনেরই উৎসস্থল ছিল মাটির ১০ কিমি গভীরে। সদ্য এমন খবরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সর্বত্র। 

এর পাশাপাশি রাত ১টা ১৫মিনিট থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত পর পর ভূমিকম্প হয়েছে সিকিমে। ওই সময়ের মধ্যে অন্তত ১০টি কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে সব ছিল মৃদু কম্পন। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ২ থেকে ৪ । সিকিমের মঙ্গন ও নামচিতে হল এই কম্পনগুলোর উৎসস্থল। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৫৫ মিনিট নাগাদ সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকেও কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.১। গ্যাংটকে হওয়া কম্পনের উৎসস্থল ছিল মাটি থেকে ১০ কিমি গভীরে। মঙ্গন, নামচিতে হওয়া কম্পনের উৎসস্থলওছিল ভূপৃষ্ঠের ৫ থেকে ১০ কিমি গভীরে।

তবে আপাতত মেলেনি কোবও ক্ষয়ক্ষতির খবর। এই কম্পনের জেরে চারিদিকে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে, পর পর এমন কম্পন ভবিষ্যতে বড় আকার নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৯ মিনিটে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তারপর রাত ১টা ১৫ মিনিটে ফের কম্পন অনুভত হয়।