গত সপ্তাহেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছেন কোচবিহারের প্রাক্তন বিধায়ক মিহির গোস্বামী। দলের আরেক হেভিওয়েট নেতা শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। দল না ছাড়লেও খোলাখুলি দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন তিনি। এই অবস্থায় বিঝানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলের আদৌ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে কিনা, তাই নিয়েই প্রশ্ন তুললেন আরেক দলবদলু বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খান। রবিবার তিনি দাবি করেন, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর সম্ভবত শীঘ্রই মমতা সরকারকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে ডাকবেন।

আরও পড়ুন - অন্ধ্র উপকূলে মিলছে রাশি রাশি সোনা, ঘূর্ণিঝড় নিভার ভাগ্য খুলে দিল গ্রামবাসীদের

আরও পড়ুন - মর্গে পা কাটতে যেতেই চিৎকার করে উঠল 'মরা', ভুতের ভয়ে পালালেন লাশকাটা ঘরের কর্মী

আরও পড়ুন - কাশী বিশ্বনাথ মন্দির থেকে সারনাথ - আজ সারাদিন বারানসীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

বিজেপি-র যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র রবিবার জলপাইগুড়িতে এক দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বলেন, যেভাবে একের পর এক তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ তৈরি হচ্ছে এবং তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, তাতে রাজ্যপাল হঠাৎ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করার কথা বলতে পারেন। সেই 'সম্ভাবনা' যথেষ্ঠই রয়েছে বলে দাবি করেন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে আশ্রয় নেওয়া বিধায়ক। তাঁর দাবি মমতা মন্ত্রিসভার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী বিজেপি-র দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন।

সৌমিত্র-র মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রবীন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, তাঁর মতো বিজেপি নেতারা সংবিধান এবং তার বিধি সম্পর্কে কিছুই জানেন না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সৌমিত্র খান কীভাবে জানতে পারলেন যে রাজ্যপাল এমন একটি 'অসাংবিধানিক পদক্ষেপ' নিতে চলেছেন? কোনও নির্বাচিত সরকার-এর সঙ্গে এই আচরণ করা যায় না, বলে দাবি করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে জানিয়েছেন বিধায়কদের সিংহভাগই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আছেন, টিএমসির পক্ষে ২১৮ জন বিধায়কদের সমর্থন রয়েছে।