Hooghly Tmc News:

Hooghly Tmc News: তোলাবাজি, হুমকি আর দুর্নীতির অভিযোগে এবার বেনজির জনরোষের শিকার তৃণমূল নেতা। প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূলের উপপ্রধানের কোমরে দড়ি বেঁধে রাস্তায় ঘোরানো হল। শুধু তাই নয়, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে, ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে রেখে মাথায় ফাটানো হল ডিম! হুগলির সিঙ্গুর বিধানসভার বাগডাঙ্গা ছিনামোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অদ্বৈত দাস এলাকায় বেচারাম মান্নার ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় তোলাবাজি, সাধারণ মানুষকে হুমকি এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কাটমানি খাওয়ার মতো একাধিক দুর্নীতি নিয়ে ক্ষোভ জমছিল মানুষের মনে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে?

এতদিন ভয়ে কেউ মুখ না খুললেও, রাজ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির বদল ঘটতেই ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে সাধারণ মানুষের। সিঙ্গুরের নান্দা বাজার এলাকায় উপপ্রধান অদ্বৈত দাসকে সামনে পেয়েই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি চলে যায় হাতের বাইরে। শুরু হয় তথাকথিত ‘ডিম থেরাপি’। চোর চোর স্লোগান তুলতে তুলতে তাকে গলায় জুতোর মালা পরিয়ে একটি পোস্টে বেঁধে রাখে ক্ষিপ্ত জনতা। এরপর কোমরে দড়ি বেঁধে ভরা রাস্তায় ঘোরানো হয় তাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই এই ঘটনার ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, গোটা রাজ্য জুড়েই ইদানীং তৃণমূলের একাধিক ছোট-বড় নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে কোথাও কান ধরে উঠবস করানো, আবার কোথাও ডিম মারার মতো ঘটনা সামনে আসছে। এবার সিঙ্গুরের ওই এলাকায় নতুন করে যাতে কোনো অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য কড়া নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ।

অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা প্রাক্তন উপ পৌর প্রধান আনন্দ দে'র বিরুদ্ধে জমি দখল,মারধরের অভিযোগ এক মহিলার, পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ। নদীয়ার রানাঘাট পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান, তৃণমূল নেতা আনন্দ দে'র বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি দখল ও মারধরের অভিযোগ করলেন এক মহিলা। রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে করলেন লিখিত অভিযোগ।

জানা গিয়েছে, অভিযোগকারিণী মহিলার নাম সুনীতা সাউ। তিনি রানাঘাটের বাসিন্দা। সুনীতার অভিযোগ, ২০১৬ সালে তৃণমূল নেতা আনন্দ দে জোরপূর্বক তাদের জমি দখল করে বেআইনি নির্মাণ করেছেন। এবং তাকে এবং তার পরিবারকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওই মহিলার। মহিলার আরও অভিযোগ, সেই সময় রানাঘাট থানায় বারংবার অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে জানান ওই মহিলা। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি রানাঘাট পুলিশ জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মহিলার দাবি, প্রায় দু কাঠা জমি দখল করেছেন তৃণমূল নেতা আনন্দ দে। বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।