- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Calcutta High Court: খালি করতেই হবে অভিষেকের অফিস! ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
Calcutta High Court: খালি করতেই হবে অভিষেকের অফিস! ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
Calcutta High Court: ক্যামাক স্ট্রিটকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টে ফের ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূল ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয়। আর কী বলল কলকাতা হাইকোর্ট? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

হাইকোর্টে ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের
হাইকোর্টে আবারও ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূল ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের সপ্তম ও অষ্টম তল খালি করতেই হবে। দমকলের ওই দু'টি তল খালি করার নোটিশে আপাতত কোনরকম হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস খালি করার নির্দেশ আদালতের
ক্যামাক স্ট্রিটের সপ্তম ও অষ্টম তলায় অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ নয়। এই অভিযোগে দু’টি তল খালির নোটিশ দেয় দমকল। সেই নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। শুক্রবার সেই মামলারই শুনানি ছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে। এদিন শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী কিশোর দত্ত আদালতে দাবি করেন, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বিল্ডিংয়ের দুটি তল লিজ নেওয়া হয়েছিল।
অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণের অভিযোগ
এই বছরের ২৬ আগস্ট সেই লিজ বাতিল করা হয়। সেই নিয়ে নিম্ন আদালতে মামলা হয়। এখন দমকল বলছে ওই দুই তলের অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ণ।তারা বহুতলটি পরিদর্শন করেছে এবং ছাদে বেআইনি নির্মাণ ও সপ্তম তলায় বেশ কয়েকটি গ্যাসের সিলিন্ডার রাখা আছে বলে জানায়।
ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে ফায়ার এলার্ম কাজ না করার অভিযোগ
সেক্ষেত্রে, পুরো ভবনটিতেই অগ্নি নির্বাপক যথেষ্ট নয় বলে ঘোষণা করা উচিত ছিল। কিন্তু দমকল বিভাগ শুধু দু’টি তলাকেই নিরাপদ নয় বলেছে। গ্যাস সিলিন্ডারগুলি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই ত্রুটিগুলি ভবনের মালিককেই ঠিক করতে হবে বলে আদালতে বলেন কিশোর দত্ত। তার উত্তরে রাজ্যের এজি সুরজিৎ কর মিত্র আদালতে দাবি করেন, ওই ভবনের সপ্তম তলে অনেক গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। বিল্ডিংয়ের মালিক সেটা স্বীকার করেছেন। ফায়ার এলার্ম কাজ করছিল না। ওই দুই তলে অনেক ত্রুটি ছিল, অনেক কিছু অকেজো ছিল।
মামলার পরবর্তী শুনানি কবে?
বাড়ির মালিকের আইনজীবী সৌম্য মজুমদার আদালতে দাবি করেন, একটা সময়ের পর বাড়িতে যাতায়াত মালিকের জন্যও বন্ধ করে দেওয়া হয়। না জানিয়ে ক্যাফেটেরিয়া বানানো হয়েছিল। তা শুনে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও ভবনের মালিকের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে জিজ্ঞাসা করেন, 'এর জন্য বাড়ির মালিক হিসেবে আপনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন? ক্যাফেটেরিয়া কোনও ভাড়া নিয়েছিলেন?' তার উত্তরে বাড়ির মালিকের আইনজীবী বলেন, 'বাইরে থেকে এই ক্যাফেটেরিয়া দেখাই যেত না। জানবো কী করে?' এরপরই দমকলের নোটিশে কোনও পদক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিন রায় দিতে পারেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।

