কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। বিজেপির অন্দর মহলে কান পাতলেই উঠে আসছে একটা নাম, যিনি হয়ত হতে পারেন পরবর্তী বঙ্গ বিজেপি সভাপতি।

নির্বাচনে জয়ী হয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন বঙ্গ BJP-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পদ্ম শিবিরের ‘এক পদ এক ব্যক্তি’ নীতি যদি মানা হয় তাহলে সুকান্তর রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানো স্রেফ সময়ের অপেক্ষা মাত্র। তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে কাকে বেছে নেবেন মোদী, শাহ, নাড্ডারা? সুকান্তর প্রাক্তনকেই কি তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেওয়া হবে? সঠিক সময়েই মিলবে সেই উত্তর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। বিজেপির অন্দর মহলে কান পাতলেই উঠে আসছে একটা নাম, যিনি হয়ত হতে পারেন পরবর্তী বঙ্গ বিজেপি সভাপতি। তিনি দিলীপ ঘোষ। দিলীপকে গত কয়েকদিন ধরে কার্যত ‘নীরব’ দেখা যাচ্ছে। ঝাঁঝালো আক্রমণ তো দূর, সাংবাদিকদের সামনে তেমন কিছু বলতেও দেখা যাচ্ছে না তাঁকে। আর এরপর থেকেই বেড়েছে জল্পনা। তাহলে কি দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে বিশেষ কোনও বার্তা পেয়েছেন তিনি?

বঙ্গ BJP-র রাজ্য সভাপতি পদে আসীন থাকাকালীন যেমনটা করতে দেখা যেত, চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে হারার পরেও তেমনটাই করতে দেখা যাচ্ছে দিলীপকে। দিল্লি থেকে ফেরার পর রাজ্যের নানান জেলায় যাচ্ছেন তিনি। কখনও বর্ধমান, কখনও মুর্শিদাবাদ, কখনও আবার মেদিনীপুরে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। জেলায় জেলায় দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এই হেভিওয়েট নেতা।

তাঁর জমানায় বাংলায় দুর্দান্ত ফলাফল করেছিল BJP। উনিশের লোকসভা ভোটে গেরুয়া ঝড়ের সাক্ষী ছিল এই রাজ্য। তবে একুশের বিধানসভা ভোটের পর পাল্টে যায় চিত্র। তবে চব্বিশের ভরাডুবির পর কি ফের দিলীপ ঘোষের কাঁধে গুরুত্বদায়িত্ব তুলে দেওয়া হবে? ইদানিং তাঁর তৎপরতা দেখার পর শুরু হয়েছে এই জল্পনা।

দিনকয়েক আগে আবার নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত নেতা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন দিলীপ। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাসও দিয়েছেন। এরপর থেকেই দিলীপের কাঁধে গুরুদায়িত্ব তুলে দেওয়ার জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। এবারের লোকসভা ভোটে বাংলায় আশানুরূপ ফল করতে পারেনি BJP। গতবার ১৮টি আসনে জিতলেও, এবার মাত্র ১২টি আসনে পদ্ম ফোটাতে সক্ষম হয়েছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্র বদলের পর হারের সম্মুখীন হয়েছেন দিলীপও। তবে তা সত্ত্বেও তাঁর কাঁধে বঙ্গ BJP-র গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেওয়ার কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।