- Home
- West Bengal
- Kolkata
- বিধানসভা নির্বাচনের আগেই DA ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নবান্ন? ভাগ্য খুলছে বাংলার সরকারি কর্মীদের
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই DA ইস্যুতে সিদ্ধান্ত নেবে নবান্ন? ভাগ্য খুলছে বাংলার সরকারি কর্মীদের
আদৌ কি কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা? কড়া নাড়ছে ভোট, তার আগে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance), বেতন কমিশন, শূন্যপদে নিয়োগ সহ একাধিক দাবিতে রাজ্য সরকারের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছ রাজ্য সরকারি কর্মীরা। নবান্ন বড় পদক্ষেপ নেবে?

এখনও ডিএ বা মহার্ঘ ভাতার (Dearness Allowance) রায় রিজার্ভ রয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে (Supreme Court)। কবে সেই রায় সামনে আসবে? সেই অপেক্ষায় সকলে। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই এই মামলার রায় সামনে আসবে। সত্যিই কি তাই?
কেটে গিয়েছে আরও গোটা একটা বছর। ২০২৫ পেরিয়ে ২০২৬ সাল। বর্তমানে প্রত্যেক রাজ্য সরকারি কর্মীর নজর সুপ্রিম কোর্টের দিকে। আদৌ কি কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা? কবে মিলবে সেই বহু প্রতিক্ষিত রায়, জেনে নিন আপডেট
এরই মধ্যে কড়া নাড়ছে ভোট, তার আগে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance), বেতন কমিশন (Pay Commission), শূন্যপদে নিয়োগ সহ একাধিক দাবিতে রাজ্য সরকারের উপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছ রাজ্য সরকারি কর্মীরা। নবান্ন বড় পদক্ষেপ নেবে?
সম্প্রতি এ নিয়ে রাজ্যপাল সিভি বোসের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এবার আরও একধাপ এগিয়ে রাজ্যের নয়া মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে চিঠি যৌথ মঞ্চের।
রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিবকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে সপ্তম বেতন কমিশন, অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স (AICPI) অনুযায়ী মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ, নিয়মিতকরণ এবং অবিলম্বে শূন্যপদ গঠন ইত্যাদি বিষয়ে সরাসরি মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। বেশ কিছু বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে চেয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে কর্মচারী ও শিক্ষকরা যাতে ন্যায্য ও সংশোধিত বেতন সুবিধা পেতে পারেন, সেইজন্য সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করার দাবি জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। এই আবহে নয়া পে কমিশনের জোরালো দাবি তুলছেন সরকারি কর্মীরা।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সুপারিশের দ্বিতীয় অংশ অবিলম্বে বাস্তবায়ন করা, যা এখনও বিচারাধীন এবং এর ফলে কর্মীদের মনোবল ক্ষুন্ন হচ্ছে। সকল যোগ্য চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়মিতকরণ করার দাবি তোলা হয়েছে৷ এআইসিপিআই অনুযায়ী মহার্ঘ্য ভাতা জমা হওয়ার তারিখ থেকে প্রদান এবং এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় সরকার কর্তৃক গ্রহণযোগ্যতা, কেন্দ্রীয় এবং বেশিরভাগ রাজ্য-স্বীকৃত নিয়মের সঙ্গে সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
এর আগে রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে সংগঠনের তরফে ভাস্কর ঘোষ জানিয়েছিলেন, তারা কথা-বার্তা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চান। কিন্তু সরকার ২৭শে জানুয়ারির সমাবেশের পরেও কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ না নিলে ফেব্রুয়ারিতে হবে নবান্ন অভিযান। তারপরও দাবি না মানা হলে রাজ্যজুড়ে সমস্ত সরকারি ক্ষেত্রে লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মতামত উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হলে তারা কৃতজ্ঞ থাকবেন বলে জানান তিনি। সাথেই তিনি আরও বলেন, “মুখ্যসচিবের কাছ থেকে এই বিষয় ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার আশা রাখছি। তবে, তা যদি না-পাওয়া যায় তাহলে আমাদের পরিকল্পনা মতোই আমরা পথে নামব।”

