জল সঙ্কট তীব্র হয়েছে বাংলার নানা প্রান্তে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কলকাতা ও গোটা বাংলার বিভিন্ন জায়গায় ভূগর্ভস্ত জল ১০ থেকে ২০ মিটারের নিচে আছে। ১০ শতাংশ এলাকায় এই জল রয়েছে ৩০ থেকে ৪০ মিটারের নিচে। তাই কলকাতার অবস্থা যে খুব ভাল আছে এমনটা নয়।

দক্ষিণবঙ্গে তীব্র তাপপ্রবাহে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। দিনদিন লাগাতার বেড়েই চলেছে তাপমাত্রা। এই বুঝি বৃষ্টি হবে, মিটবে দহন জ্বালা! কিন্তু শেষ হাসি হাসবে তো সেই আবহাওয়া দফতর। তাদের পূর্বাভাসেই স্বস্তি আনতে পারে প্রাণে। কবে আসবে বৃষ্টির সুখবর। তা জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে সবাই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এরইমধ্যে জল সঙ্কট তীব্র হয়েছে বাংলার নানা প্রান্তে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কলকাতা ও গোটা বাংলার বিভিন্ন জায়গায় ভূগর্ভস্ত জল ১০ থেকে ২০ মিটারের নিচে আছে। ১০ শতাংশ এলাকায় এই জল রয়েছে ৩০ থেকে ৪০ মিটারের নিচে। তাই কলকাতার অবস্থা যে খুব ভাল আছে এমনটা নয়। বৃষ্টির জল ধরে রেখে যদি আমাদের কাজে লাগানো যায় কিছুটা সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু সেটাও হচ্ছে না। সোজা কথায় মাটির নিচে জল বাড়ছে না। কিন্তু উল্টে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি লিটার জল মাটির নিচ থেকে তোলা হচ্ছে।

পরিবেশ প্রযুক্তিবিদরা জানাচ্ছেন গত দশ বছরে কলকাতার গাছগাছালি ৩০ শতাংশ কমে গিয়েছে। গাছ নেই বললেই চলে। শহর ক্রমেই মরুভূমির রূপ নিচ্ছে। সে কারণেই জল গাছের মাধ্যমে মাটির তলায় যেতে পারছে না। দশ বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পুকুর ভরাট হয়ে গিয়েছে। সেই জল মাটির নিচে যেতে পারছে না। যেভাবে চারদিক বাঁধিয়ে দেওয়া হয়েছে তা ঠিক নয়। পিচ ঢালা, বাঁধানোর কাজ ঠিকভাবে হয়নি।

এইভাবে লু বইলে জলস্তর আরও কমবে। কলকাতার বড়বড় ওয়াটার বডি গুলির গভীরতা নেমে এসেছে মাত্র দুই ফিটে। রবীন্দ্র সরোবরের মতো ১৯৪ একর জলাশয়ের ওয়াটার লেভেল মাত্র দু ফুট। এগুলো আমাদের বেঙ্গালুরুর মতো অ্য়ালার্ট দিচ্ছে। এখনই সচেতন হতে হবে। না হলে দু থেকে তিন বছরের মধ্যে জল কষ্ট তীব্র হবে। সোজা কথায় পরিস্থিতি যে খুব একটা ভাল দিকে যাচ্ছে না তা বোঝাই যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন শহরের বুকে বেআইনি নির্মাণে লাগাম পড়ানো না গেলে অচিরেই বড় বিপদ নেমে আসবে।

আরও খবরের জন্য এশিয়ানেট নিউজ বাংলা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে চোখ রাখুন, এখানে ক্লিক করুন।