Tapsia Fire News: ফের দিনের ব্যস্ত সময়ে কলকাতায় বিধ্বংসী আগুন। শহরের প্রাণকেন্দ্রে আগুন আতঙ্ক। তপসিয়ায় কারখানায় আগুন। কীভাবে ঘটল এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা? সেই বিষয়ে বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Tapsia Fire News: ফের কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। তপসিয়ায় আসবাবপত্রের কারখানায় আগুন। আশপাশের একটি গ্যারেজ ও বাড়িতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দা। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। দমকলের বিরুদ্ধে আগুন নেভাতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। যদিও তড়িৎগতিতে চলছে আগুন নেভানোর কাজ। তবে ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। 

সূত্রের খবর, এই নিয়ে গত তিন দিনে কলকাতার তিন জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। এদিন দুপুরে তপসিয়া রোডের একটি সোফা কারখানায় আগুন লাগে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, কারখানায় অনেক দাহ্য পদার্থ ছিলো। সেইসব থেকেই কোনও ভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে ঘটনাস্থলে দমকলের আরও ৬টি ইঞ্জিন যায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলে উদ্ধার কাজ। তবে আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিলো যে আসেপাশের গ্যারাজেও দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। 

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ওই কারখানায় অনেক দাহ্য পদার্থ রয়েছে। সেখানে সোফা তৈরি হয়, সে কারণে আসবাবও মজুত ছিল। আগুন সেই সব আসবাবে ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার দুপুরে কারখানায় কাজ চলছিল। ছিলেন কর্মীরা। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা কারখানা থেকে বেরিয়ে আসেন। যতটা সম্ভব আসবাব কারখানা থেকে বাইরে বার করে আনা হয়। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানায় দমকল। অন্য দিকে, দমকলবাহিনী দেরিতে আসার অভিযোগ তুলে সরব হন স্থানীয় বাসিন্দারা।

চাপড়ার লক্ষ্মীগাছার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবারে টিকটিকি, বিক্ষোভ অভিভাবকদের। চাপড়ার লক্ষ্মীগাছা এলাকার ২২৩ নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের জন্য প্রস্তুত খাবারে টিকটিকির দেহাংশ উদ্ধার হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কেন্দ্রে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকেরা। স্থানীয় বাসিন্দা নুরইসলাম সেখের অভিযোগ, তাঁর নাতনি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খিচুড়ি নিয়ে বাড়িতে এসেছিল। সেই খিচুড়ি খেতে গিয়েই খাবারের মধ্যে টিকটিকির দেহাংশ দেখতে পান তাঁরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকাবাসী। 

যদিও এই ঘটনায় কেউ অসুস্থ হননি বলেই জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে অভিভাবকদের অভিযোগ, কেন্দ্রে রান্নার ক্ষেত্রে যথাযথ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না। চাল ঠিকমতো না ধুয়েই রান্না চাপানো হয়, আর সেই চালের মধ্যেই টিকটিকি থাকতে পারে বলে তাঁদের ধারণা। 

শিশুদের পুষ্টির জন্য যে খাবার দেওয়া হয়, সেখানে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল এই প্রশ্ন তুলে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কর্মীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকেরা। এদিকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের দিদিমণি নাজিয়ন শেখ জানান, তিনি মূলত শিশুদের পড়ানোর দায়িত্বে রয়েছেন। রান্নার দায়িত্ব থাকে সহযোগী গৌরি বিশ্বাসের ওপর। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলেও জানান।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।