ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল রাজ্য সরকারকে। ভরা এজলাসে বসে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, ‘এই সব কারণেই বাংলার ছেলেমেয়েরা বাইরে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।’

কড়া মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের। দুর্নীতি মামলায় রীতিমত ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল রাজ্য সরকারকে। ভরা এজলাসে বসে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের মন্তব্য, ‘এই সব কারণেই বাংলার ছেলেমেয়েরা বাইরে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ। পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগও বন্ধ। কলেজেও দুর্নীতির এত অভিযোগ। এই সব কারণেই এ রাজ্যের ছেলেমেয়েরা বাধ্য হয়ে বাইরে চলে যাচ্ছে।’

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সমস্যা হয় বাবা সাহেব আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা নিয়ে। অ্যাফিলিয়েশন (রিনিউ) নেই বলে এই সব কলেজের পড়ুয়ারা পরীক্ষায় বসতে পারছেন না। সেই অভিযোগ তুলেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সেই সব পড়ুয়ারা। তাদের অভিযোগ ছিল, বাবা সাহেব আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ওই সব কলেজগুলির অ্যাফিলিয়েশন বা অনুমোদন পুনর্নবীকরণ বিশ্ববিদ্যালয়ের খাতায় করা হয়নি। এর জেরে তারা সমস্যায় পড়েছেন। বিএড পরীক্ষায় বসতে পারছেন না। এই সমস্ত অভিযোগ তুলেই কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়।

অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা প্রায় ৬০০ থেকে ৬৫০টি বিএড কলেজের অধিকাংশর পরিকাঠামোগত বিষয় নিয়ে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, এই এত কলেজের মধ্যে অধিকাংশর ক্ষেত্রেই এনসিটিই (National Council for Teacher Education) গাইডলাইন অনুযায়ী যে পরিকাঠামো থাকা প্রয়োজন, সেসব কিছুই নেই। তার পরও কলেজ চলছে। কিভাবে কোনো উপযুক্ত পরিকাঠামোনা থাকা সত্ত্বেও ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি চলছে, এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল।

এরপরেই ক্ষেপে যান হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। ক্ষোভ প্রকাশ করে বিচারপতি বলেন, ‘অবিলম্বে উপাচার্যকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত’। এরপরই রাজ্যের আইনজীবীর কাছে এই বিষয়ে রাজ্য কি পদক্ষেপ করেছে তা জানতে চান বিচারপতি।