রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকে ডাকা হয়েছে, তবে দুটি দাবি মানতে অস্বীকৃতি। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে বসার প্রস্তাব এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে নবান্নের চিঠিতে।

আবারও নবান্ন থেকে আলোচনার প্রস্তাব। এবার পাল্টা দুটি শর্তও চাপান হল রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈঠকে ডানা হয়েছে রাজ্য সপকারের তরফ থেকে। আন্দোলনকারীদের দাবি মত বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আন্দোলনকারীরা যে শর্তগুলি দিয়েছিল তার মধ্যে থেকে দুটি শর্ত মানা হবে না বলেও স্পষ্ট করে জানিয়েছে দিয়েছে। নবান্নের নতুন এই চিঠিতে সুপ্রিম কোর্টের ডাক্তারদের কাজে ফেরার নির্দেশের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে চিঠি লিখেছেন রজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। তিনি বলেছেন, 'রাজ্যের স্বাস্থ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সরকার আপনাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে প্রস্তুত। কিন্তু সুপ্রিম এই বিষে যে নির্দেশ দিয়েছে তা মাথায় রাখতে হবে। আপনারা জানেন আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী গত দুই দিন ধরে নবান্নে অপেক্ষা করে ছিলেন। আমরা আলোচনায় বসতে চাই।'

নবান্ন থেকে মুখ্যসচিবের চিঠিতে বলা হয়েছেঃ

১। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় আন্দোলনকারী জুনিয়ার চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদের বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। নবান্নের কনফারেন্স হলে বৈঠক হবে।

২। ১৫ জনের প্রতিনিধি দল বৈঠকে যোগ দিতে পারে।

৩। নবান্নের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার হবে না। তবে স্বচ্ছ্বতার জন্য বৈঠকের রেকর্ড করা যেতে পারে। বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলি নথিভুক্ত করা হবে।

জুনিয়র ডাক্তারদের সহয়োগিতা চেয়েছেন মুখ্যসচিব। বৈঠকের জন্য জুনিয়র ডাক্তারদের ৪টে ৪৫ মিনিটের মধ্যে নহান্নে পৌঁছে যেতে অনুরোধ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কারা কারা দেখা করবেন - সেই প্রতিনিধিদের তালিকায় মেইল করে জানিয়েও দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য ভবন সাফাই অভিযান শুরু করে। স্বাস্থ্য ভবন তাঁদের কথা শোনেনি। সেই থেকে সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভ করছে জুনিয়র ডাক্তাররা। তারপর থেকে নবান্ন লাগাতার জুনিয়র ডাক্তারদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়ে আসছে। কিন্তু জুনিয়র ডাক্তারর নবান্নের শর্ত সাপেক্ষে বৈঠকে রাজি নয়। তাঁদের কথায় আন্দেোলনের স্পিরিট নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আর সেই কারণেই সোমবার বিকেল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁরা স্বাস্থ্যভবনের বাইরে অবস্থান বিক্ষোভে রয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।