TMC Councilor Death News: সাতসকালে তৃণমূল কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে বঙ্গ রাজনীতিতে শোরগোল। দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে ধোঁয়াশা। কী কারণে আত্মহত্যা করলেন কাউন্সিলর? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।. 

TMC Councilor Death News: দক্ষিণ দমদম পুরসভার এক কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ঘরের মধ্যেই ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। নাগেরবাজারের ILS হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সূত্রের খবর, মৃত কাউন্সিলর সঞ্জয় দাস, দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রের খবর, ডিপ্রেসনে ভুগছিলেন ওই কাউন্সিলর। এই দক্ষিণ দমদম পুরসভাতেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত চালাচ্ছে ED। সেই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সুজিত বসুকে। যদিও কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি।

তৃণমূল কাউন্সিলরের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শোরগোল:- 

সূত্রের খবর, দক্ষিণ দমদম পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল ছিলেন সঞ্জয় দাস। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূল সূত্রে খবর, তাঁকে পুরসভা ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে পুরসভায় পদ পাইয়ে দেওয়া পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই দেবরাজের হাত ছিল। সমাজমাধ্যমেও ধারাবাহিক ভাবে অদিতির হয়ে প্রচার করেছেন তিনি। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

 শনিবার সকালে নিজের ঘর থেকে সঞ্জয়কে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। নাগেরবাজারের হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় আপাতত পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর একটি মামলা রুজু করেছে। মৃতের দেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। তিনি আদৌ আত্মহত্যা করেছেন কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে।

তৃণমূল সূত্রে খবর, অদিতি-দেবরাজ ঘনিষ্ঠ হওয়ায় এলাকাতেও বেশ প্রভাবশালী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন সঞ্জয় দাস। তিনি যে পুরসভার কাউন্সিলর সেই পুরসভাতেই উঠেছে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ। শুধু তাই নয়, এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে বর্তমানে ইডি হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বসু। আর ক'দিন আগেই দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাচু রায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে ইডি। 

সুজিতের সঙ্গেও সঞ্জয়ের যোগাযোগ ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। আর এসবের মধ্যে আগাম গ্রেফতারি এড়াতে আদালতে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করেছেন অদিতি মুন্সী ও তার স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তী। আর এরই মধ্যে শনিবার সকাল তৃণমূল কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুর খবর শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।