- Home
- West Bengal
- Kolkata
- West Bengal Teacher: স্কুল শিক্ষকদের জন্য নির্দেশিকা, এই কাজ না করলেই জেল-জরিমানার কড়া সতর্কতা
West Bengal Teacher: স্কুল শিক্ষকদের জন্য নির্দেশিকা, এই কাজ না করলেই জেল-জরিমানার কড়া সতর্কতা
West Bengal Census: জনগণনা ২০২৭-এর কাজে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক, অনীহা দেখালে জরিমানা ও জেলের হুঁশিয়ারি। কলকাতা পুরনিগমের চিঠিতে কী নির্দেশ, জেনে নিন।

এসআইআরের পর এবার জনগণনা
রাজ্যে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এবার শুরু হতে চলেছে জনগণনা (Census 2027)। এই কাজে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের জন্য ফের চিঠি পাঠানো হল। মোটকথা এসআইআর-এর মত জনগণনার কাজেও রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। তেমনই জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

কে পাঠাল চিঠি?
কলকাতা পুরনিগমের (KMC) তরফ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। রাজ্যে জনগণনা শুরু হওয়ার বিষয়টি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। অর্থাৎ কলকাতার শিক্ষক শিক্ষিকাদের এবার জনগণনার কাজে অংশ নিতে হবে।
চিঠিতে কী নির্দেশ?
চিঠিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, শিক্ষকদের জনগণনার কাজ করতে হবে। এই দায়িত্বে অনীহা প্রকাশ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কাদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক?
২০২৭ সালের জনগণনার কাজে শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও ক্লার্কদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই তালিকায় স্কুলের সব স্তরের কর্মীই রয়েছেন।
অস্বীকার করলে শাস্তি
কোনও যুক্তি ছাড়াই জনগণনার দায়িত্ব পালনে অস্বীকার করলে সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে জরিমানা ও জেল—দুই-ই হতে পারে।
জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ
আইন অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এই শাস্তির বিধান নিয়েই এবার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
অব্যাহতির সম্ভাবনা কতটা
জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিস সূত্রে খবর, পঠনপাঠনের স্বার্থে কিছু শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে কলকাতা পুরনিগম এ বিষয়ে কোনও অনুরোধ শুনতে নারাজ।
কেন্দ্রীয় আইনের বাধ্যবাধকতা
চিঠিতে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের আইন অনুযায়ী এই দায়িত্ব বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে। কোনওরকম অনীহা বরদাস্ত করা হবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
স্কুলগুলিকে নির্দেশিকা জারির অনুরোধ
চিঠির শেষে জেলা স্কুল পরিদর্শককে অনুরোধ করা হয়েছে, তিনি যেন নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে এই বিষয়ে জানিয়ে দেন।
এরপর কী
এবার এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে রাজ্যের সব স্কুলে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত হতে হবে। ফলে পঠনপাঠনের সময়সূচিতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে শিক্ষামহল।

