নিয়মাফিক বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে তো? করোনা আতঙ্কে নজরে সরকারি সেফ হাউস প্রশ্নের মুখে পুরসভার ভূমিকা শোরগোল শিলিগুড়িতে  

মিঠু সাহা, শিলিগুড়ি: নিয়ম মেনে বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে তো? করোনা আতঙ্কের মাঝেই এবার সেফ হাউস ইস্যুতে পুরনিগমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য জয় চক্রবর্তী। তিনি ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটরও বটে। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিলিগুড়িতে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: ধানের ট্রাকে মূর্তি পাচার ছক গেল ভেস্তে, উদ্ধার হল ৩৫ কোটি টাকার ২৫টি প্রাচিন মূর্তি

মৃত্যুর হার আগের থেকে কমেছে অনেকটাই। চিকিৎসায় এখন সেরে উঠছেন বেশিরভাগ রোগীই। কিন্তু করোনা সংক্রমণকে বাগে আনা যাচ্ছে কই! যতদিন যাচ্ছে, আক্রান্তের সংখ্যা ততই বাড়ছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা সীমিত। ফলে সকলেই যে হাসপাতালে ভর্তি হবেন, সে উপায় নেই। তাহলে উপায়? যাঁদের শারীরিক অবস্থা ততটা গুরুতর নয় কিংবা সামান্য উপসর্গ দেখা দিয়েছে, তাঁদের হোম আইলোশনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে রোগীকে সরকারি ভবন বা সেফ হাউসে রাখার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, যখন শিলিগুড়ি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে করোনা রোগীর জন্য সেফ হাউস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন বিরোধিতা করেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক বোর্ডের সদস্য জয় চক্রবর্তী। পুরনিগম ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শেষপর্যন্ত জট কাটে। এখন ওই সেফ হাউসে রয়েছেন ২১ জন। কিন্তু সেফ হাউসের বর্জ্য নাকি নিয়মাফিক পরিষ্কার করা হচ্ছে না, গেটের বাইরে জমিয়ে রাখা হচ্ছে! ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে। অন্তত তেমনই অভিযোগ খোদ ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর জয় চক্রবর্তীর।

আরও পড়ুন: ফের শিরোনামে হাতকাটা দিলীপ, কুখ্য়াত দুষ্কৃতীর বাড়ি থেকে উদ্ধার বন্দুক, গুলি

ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শিলিগুড়ি থানায় পুলিশ। সেফ হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এদিকে অভিযোগকারী জয় চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে মামলা করার হুঁশিয়ার দিয়েছেন দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রঞ্জন সরকার। তিনি নিজেও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে কো-অর্ডিনেটর।