বুধবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথি হিসেবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যাবে। তবে এর সঙ্গে মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেট জম দিতে হবে।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় মাধ্য়মিকের অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে জমা দেওয়ার বিষয়ে বিভ্রান্তি কাটাল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ভোটার তালিকার চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত নথি হিসেবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দেওয়া যাবে। তবে এর সঙ্গে মাধ্যমিকের পাস সার্টিফিকেট জম দিতে হবে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে উপস্থিত হয়ে সিনিয়র আইনজীবী ডিএস নাইডু মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে যাচাইয়ের জন্য নথি হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নাইডুকে বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের বিচারকরা মাধ্যমিক অ্যাডমিটে উপলব্ধ তথ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে অবগত। সেই কারণেই আমরা বলেছি যে এটি নির্বাচন কমিশন এবং নথি যাচাইকারী সকলকে সহায়তা করবে। পাস সার্টিফিকেটে জন্ম তারিখ বা পিতার নাম উল্লেখ থাকে।"

কমিশনের আইনজীবী যুক্তি দিয়েছিলেন যে অ্যাডমিট কার্ডজ আধারের মতো একটি স্বতন্ত্র নথি হতে পারে না। এরপরেই বিচারপতি বাগচী বলেন,"মাধ্যমিক পাস সার্টিফিকেট হল একটি নথি। আমরা বলেছি যে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট অতিরিক্ত হবে।"

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেছেন, "২৪ ফেব্রুয়ারির আদেশের ৩ (iii) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সমস্ত নথি, যা এখনও আপলোড করা হয়নি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে রিসিভড করা হয়েছে, এমন নথি বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে প্রিসাইডিং জুডিশিয়াল অফিসারদের কাছে জমা দিতে হবে। এই দায়িত্ব পালন করবেন ইআরও (ERO) এবং এইআরও (AERO)-রা।" আদেশে বলা হয়েছে, "জন্ম শংসাপত্র এবং বাবা মায়ের পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড মাধ্য়মিকের পাস সার্টিফিকেটের সঙ্গে জমা দেওয়া যেতে পারে।"

মঙ্গলবার, শীর্ষ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দিয়েছে যে ২৮ ফেব্রুয়ারির শেষ তারিখের মধ্যে বাংলার চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশ করা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশা থেকে বিচারক নিয়োগ করতে।