লেজার রশ্মি সংক্রান্ত একটি সমস্যা আবারও সামনে এসেছে। কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট লেজার রশ্মির কবলে পড়ে। তীব্র আলোর ঝলকানি পাইলটকে বিভ্রান্ত করে তোলে। যথাসময়ে অবতরণ করতে না পেরে বিমানটি কিছুক্ষণ আকাশে চক্কর দেয়।
লেজার রশ্মি সংক্রান্ত একটি সমস্যা আবারও সামনে এসেছে। কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট লেজার রশ্মির কবলে পড়ে। তীব্র আলোর ঝলকানি পাইলটকে বিভ্রান্ত করে তোলে। যথাসময়ে অবতরণ করতে না পেরে বিমানটি কিছুক্ষণ আকাশে চক্কর দেয়। পরে অবশ্য এটি নিরাপদে অবতরণ করে। তবে লেজার রশ্মিজনিত এই পুনরাবৃত্ত সমস্যা জনসচেতনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
লেজার রশ্মি নিক্ষেপের ঘটনাটি কী?
কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এমএইচ-১৮৪ (MH-184) কুয়ালালামপুর থেকে কলকাতায় আসছিল। বিমানটিতে প্রায় ১৫৯ জন যাত্রী ও সাতজন কেবিন ক্রু ছিলেন। রাত ১১টা ২০ মিনিটে বিমানটির অবতরণের কথা ছিল। কিন্তু অবতরণের সময় একটি সমস্যা দেখা দেয়। বিমানবন্দর সূত্রের খবর অনুযায়ী, অবতরণের সময় বিমানটি রানওয়ে থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে মধ্যমগ্রাম ও বারাসত এলাকা থেকে ককপিটে তীব্র আলোর ঝলকানি এসে পড়ে। লেজার রশ্মির সেই আঘাত পাইলটকে বিভ্রান্ত করে। ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটটি যথাসময়ে অবতরণ করতে পারেনি এবং আকাশে চক্কর দিতে বাধ্য হয়।
বিমানটি যেভাবে অবতরণ করে
অবশেষে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে যাত্রীসহ বিমানটি রানওয়ে ১৯এল (19L)-এ অবতরণ করে। এরপর সেটিকে পার্কিং বে ৫৭এল (57L)-এ রাখা হয়। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানায়। পরবর্তীতে বিমানবন্দর কর্মকর্তারা এনএসসিবিআই (NSCBI) থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অতীতেও এমন ঘটনা বহুবার ঘটেছে এবং পুলিশে অভিযোগও জানানো হয়েছে। তবে কেন এমন ঘটনা বারবার ঘটছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।


