
Kaliachak: মালদার এই পঞ্চায়েত প্রধান সত্যিই কী বাংলাদেশি? বিরোধীদের চক্রান্ত নাকি অন্য রহস্য?
Kaliachak: মালদার গোলাপগঞ্জ পঞ্চায়েতের নতুন প্রধান কি সত্যিই বাংলাদেশি নাগরিক? চেয়ারে বসতেই নাগরিকত্ব নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কংগ্রেসের, পাল্টা ষড়যন্ত্রের দাবি তৃণমূলের। আসল ঘটনা জেনে নিন।
Kaliachak: মালদার পঞ্চায়েত প্রধানের নাগরিকত্ব নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক, অনাস্থা জয়ের পরেই বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধীদের
অনাস্থা ভোটে জিতে মালদার গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদে বসেছেন তৃণমূলের চেমানি বিবি। তবে প্রধানের চেয়ারে বসতেই তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নতুন প্রধানের বিরুদ্ধে সরাসরি বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ার অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস। বিরোধীদের দাবি, উপযুক্ত নাগরিকত্বের নথি ছাড়াই তিনি কীভাবে সাংবিধানিক পদে বসলেন, তা নিয়ে তদন্ত প্রয়োজন।
কী অভিযোগ কংগ্রেসের? মালদার কালিয়াচক ৩ নম্বর ব্লকের গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতটি এতদিন কংগ্রেসের দখলে ছিল। প্রধান ছিলেন তাহসিনা বিবি। গত ৩০ জুলাই তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পাস হয় এবং ২৭ তারিখ নতুন প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন তৃণমূলের চেমানি বিবি। এরপরেই কংগ্রেস সদস্য কৃষ্ণ মণ্ডল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে দাবি করেন, চেমানি বিবির আসল বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জে। তার বাবার নামও সেদেশের ভোটার তালিকায় রয়েছে। এমনকি এদেশের ভোটার তালিকাতেও তার নাম এখনও বিবেচনাধীন। এই অবস্থায় তার ভোটাধিকার প্রয়োগ ও প্রধান নির্বাচিত হওয়া আইনসম্মত নয় বলেই দাবি বিরোধীদের।
পাল্টা জবাব প্রধান ও তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন বর্তমান প্রধান চেমানি বিবি ও তার স্বামী। তাদের বক্তব্য, অনাস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে হতাশা থেকেই ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে কংগ্রেস। তাদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ মেনেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করা হয়েছে। পঞ্চায়েতের সদস্যদের গণতান্ত্রিক সমর্থনেই তিনি প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রশাসনের নজরদারিতে পরিস্থিতি এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছে বিজেপি নেতৃত্বও। বিজেপি দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসন গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েতের ক্ষমতা বদলের পরপরই নাগরিকত্ব নিয়ে এমন টানাপোড়েনে বর্তমানে সরগরম কালিয়াচকের রাজনৈতিক মহল।