Kalyan Banerjee: NCPI ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠদের ‘গদ্দার’ বলে নিশানা করলেন কালীঘাট TMC-র কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তৃণমূল সাংসদ? জানুন বিস্তারিত।
মালদহের চাঁচলে এসে সাংগঠনিক সভা করলেন শ্রীরামপুরের কালীঘাটপন্থী তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার দুপুরে চাঁচল শহরের একটি অতিথি আবাসে সাংগঠনিক সভায় যোগ দিয়ে এনসিপিআইয়ের ২০ জন সাংসদ ও ঋতব্রত পন্থী বিধায়কদের গদ্দার বলে আক্রমণ করেন তিনি। ইতিহাসের পাতায় মীরজাফরের পরে তাদের নাম কলঙ্কিত হয়ে থাকবে বলে তিনি কটাক্ষ করেন।
চাঁচলের বিধায়ককে আক্রমণ কল্যাণের
শুধু তাই নয়। চাঁচলে দাঁড়িয়ে সেখানকার স্থানীয় বিধায়ককে চারশো বিশ বা ফোর টোয়েন্টি বলে আক্রমণ আক্রমণ করেন কল্যাণ। তিনি নিজের বিধানসভা এলাকায় ঢুকতে পারছেননা। ঢুকলেও ৩০ জন পুলিশকে নিতে হচ্ছে বলে কটাক্ষ করেন। এদিনের সভায় চাঁচল, মালতীপুর ও রতুয়া বিধানসভায় তৃণমূল কর্মীরা সভার হল ঘর ভরিয়ে ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন, মালতীপুরের বিধায়ক আব্দুল রহিম বকসি, মালদহের প্রাক্তন তৃণমূলের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলাপরিষদ সদস্য মর্জিনা খাতুন, বন্দনা ঘোষ সহ জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলা, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ফজলুল হক, চাঁচল ১ পঞ্চায়েত সমিতির একাধিক সদস্য ও সভাপতি।
কল্যাণের হুঁশিয়ারি
চাঁচলের প্রাক্তন ব্লক তৃণমূল সভাপতি মজিবর রহমানের তত্ত্বাবধানে এদিনের সভার আয়োজন করা হয়। তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া সাংসদদের সদস্যপদ খারিজ করেই ছাড়ব বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়েন কল্যাণ। এমনকি একই পদ্ধতিতে ঋতব্রতপন্থী বিধায়কদের বিরুদ্ধেও লড়বেন। তাদের প্রথম সারীর ১২ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহ আদালতে যাবেন কল্যাণ বলে জানায়।
ইতিমধ্যে তিনি মুর্শিদাবাদ ও বাকুড়া জেলা গুছিয়ে নিয়েছেন। মালদহ জেলাকেও গোছাতে শুরু করলাম বলে তিনি জানান। আগামী মাসেও দক্ষিণ মালদহে সভা করবেন বলে তিনি জানান।
আগামী লোকসভায় মালদহের দুটি আসনেই ইন্ডিয়া জোট জিতবে ও রাজ্যে ৪২ আসনেই জিতব বলে দাবি করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস ক্রমাগত ভাঙছে। দলের একাংশের প্রকাশ্য ক্ষোভ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। দলের নেতা কর্মীদের নিশানায় রয়েছেন অভিষেকও। এই অবস্থায় কল্যাণ কালীঘাট তৃণমূলের ঘর গোছাতে শুরু করেছেন বলেও অনেকে মনে করছেন।


